বিধানসভার ভিতরে বিধায়কের পর্ণ ভিডিও দেখার ভিডিও ভাইরাল! ব্যাখ্যা চাইল বিজেপি নেতৃত্ব
বিধানসভার অধিবেশন চলছে। আর শাসক বিজেপির বিধায়ক মোবাইল ফোনে পর্ণ ভিডিও দেখছেন। ত্রিপুরা বিধানসভার ভিতরের এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যা নিয়ে ক্ষোভ ও সমালোচনা রাজনীতিক থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অথচ বিধায়কের দাবি কীভাবে হল, তা নাকি তিনি বুঝতেই পারেননি।
|
বিধানসভায় বাজেট নিয়ে আলোচনা চলছিল
ত্রিপুরা বিধানসভায় সদ্য দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বাজেট নিয়ে চলছে আলোচনা। সেখানেই বিপত্তি। ক্যামেরা বন্দি ছবিতে দেখা যাচ্ছে ত্রিপুরার বাগবাসা আসনের বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে পর্ণ ভিডিও-র ক্লিপ স্ক্রল করছেন। যে সময় বিধায়ক এই কাণ্ড করছেন, তাঁর পিছনের দিকে বসে থাকা কেউ একজন ভিডিও করেছেন।

দল ব্যাখ্যা চেয়েছে
বিধানসভার ভিতরে বিধায়কের পর্ণ ভিডিও দেখার ছবি ভাইরাল হতেই তাঁর কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করেছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, অধিবেশন শেষ গওয়ার পরেই তিনি বিধানসভা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। সোমবার বিধানসভা অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের এই ঘটনা বুধবার সন্ধ্যা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করে।

অভিযুক্ত বিধায়কের প্রতিক্রিয়া
বিধানসভায় পর্ণ দেখায় অভিযুক্ত বিধায়ক যাদব লাল নাথ সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে দাবি করেছেন, তিনি জানেন না এটা কীভাবে হয়েছে। তিনি বলেছেন, সম্ভবত, ভুল কিছুতে চাপ দিয়ে ফেলেছিলেন। নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে তিনি বলেছেন, বিধানসভায় এগুলো দেখা যায় না। তিনি গুরুতর অপরাধ করে ফেলেছেন। বিজেপি বিধায়ক দাবি করেছেন, বিষয়টি নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন কিংবা বিধানসভার সচিবালয় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। ওই বিধায়ক আরও জানিয়েছেন, বিধানসভার অধ্যক্ষ এবং দলের রাজ্যসভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যের নির্দেশ অনুসারে তিনি কাজ করবেন। যাদব লাল নাথ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, একটা সময় তিনি সিপিআইএম-এর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ২০১৮-তে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

আগেও ধরা পড়েছেন বিধায়করা
এই ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও বিজেপি জনপ্রতিনিধিদের পর্ণ ভিডিও দেখার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ২০১২ সালে কর্নাটকের তৎকালীন বিজেপি সরকারের দুই মন্ত্রী রাজ্য বিধানসভার ভিতরে পর্ণ ভিডিও দেখার পরেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে লক্ষ্মণ সাভাদি এবং সিসি পাতিলকে পরবর্তী সময়ে দল পুনর্বহাল করেছিল।
২০১৫-তে ওড়িশায় এক কংগ্রেস বিধায়কের এই ধরনের অপরাধের জন্য অধ্যক্ষ সাতদিনের জন্য বরখাস্ত করেছিলেন।
সৌজন্যে টুইটার












Click it and Unblock the Notifications