এবার গুজরাতে বড় ভাঙন কংগ্রেসের, দল ছেড়ে পদ্মে যোগ আরও দুই বিধায়কের
কংগ্রেসের নাগাড়ে চলছে দোলাচল। এই কয়েকদিন আগেই প্রায় ২৬ জন হিমাচলে দল ছেড়ে বিজেপি মুখী হয়েছিলেন। এবার গুজরাতে ভাঙন ধরল তাদের। দল ছাড়লেন তাঁদের দলের বিধায়ক ভগবান বারাদ। তিনি তালালা কেন্দ্রের বিধায়ক। এটি গির সোমনাথ এলাকায় অবস্থিত। তিনি দল ছেড়ে ভোটের আগে চলে গিয়েছেন বিজেপিতে। এটা বড় ধাক্কা কংগ্রেসের পক্ষে তা বলাই যেতে পারে।

হাত ছাড়া
শুধু তিনি নন দল ছেড়েছেন আরেক গুজরাতের বিধায়ক ভাবেশ কাতারা। তাঁর বয়স মাত্র ৩৭ বছর, অর্থাৎ তরুণরাও সেখানে কংগ্রেস থেকে মুখ ঘোরাচ্ছে। তিনি ঝালড়ের বিধায়ক ছিলেন। ফলে এখন বিধানসভায় তাঁদের বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৫৯।

কেন ভাঙন?
কংগ্রেস জানিয়েছিল যে ঝালড় কেন্দ্র থেকে লড়বেন মিতেশ গারাসিয়া। তিনি অনগ্রসর শ্রেণীর, তাকে তাই দল ভোটের টিকিট দেয় কাটারার জায়গায়। এতেই ক্ষোভ চেপে বসে তাঁর। তিনি দিলেন দল থেকে পদত্যাগ করে। চলে গেলেন বিজেপিতে।
এর আগে মঙ্গলবার ছোটা উদেপুরের আদিবাসি বিধায়ক মোহনসিং রথবা দলত্যাগ করেন। যোগ দেন বিজেপিতে। বারাদকে আবার স্বাগত জানিয়েছে বিজেপুর রাজ্য কমিটি। তাকে দলে যোগদান করান প্রদীপ সিং ভাঘেলা। আহমেদাবাদে তিনি গেরুয়া পতাকা হাতে নেন।

দল বদলু
২০১৭ সালের নির্বাচনে তালালা থেকে বারাদ, যার বয়স ৬৩ বছর তিনি ৩১ হাজারের বেশি ভোটে জেতেন। তিনি আহির জাতির। সৌরাষ্ট্র এলাকায় তাঁদের বেশ দহরম মহরম আছে। আসলে গুজরাত নির্বাচন অনেকটা দাঁড়িয়ে জাত পাতের উপর সেই বিষয়ে ঠিক হয় কে ভোটে লড়বেন। তারপরেও কেন বারাদ বাদ গেলে তা অনেকেই বুঝতে পারছেন না। এখন তিনি বিজেপির পতাকা ধরে নিয়েছেন। বারাদের বাবা, ভাই সবাই কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা। অথচ তিনি দলেন দল বেবাগি। এবার বাকিরাও এই কারনে দল ছেড়ে দেন কি না সেটাও দেখার বিষয়।
তিনি বলেছেন যে, পদত্যাগ পত্র তিনি জমা দিয়েছেন স্পিকারের কাছে। তবে তিনি এই বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে কথা বলতে চান না। অনেক সমস্যা হয়েছে দলে তারপর বাধ্য হয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই কারও একজনকে তিনি কিছু বলতে চান না। এটা দলের সঙ্গে তাঁর সমস্যা।

উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গী
তিনি বলেছেন, 'নরেনভাইয়ের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গী হতে চাই। গুজরাতের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আরও ভালো এবং বেশি করে করতে চাই। এখন আমাকে আমার নতুন দল কে দায়িত্ব দেবে তা আমি পাল করব"
তিনি আবার এও বলেছেন, তাঁর পরিবার আসলে কংগ্রেস নয়। জনতা দলের হয়ে তাঁরা লড়েছেন। নেতৃত্বে ছিলেন চিমনভাই প্যাটেল। দল যখন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাধে তখন আমাদের কংগ্রেসে যেতেই হয়।












Click it and Unblock the Notifications