নিখোঁজ কিশোরী দেহ উদ্ধার হল ধর্ষণ কাণ্ডে দোষী আসারাম বাপুর উত্তরপ্রদেশের আশ্রম থেকে
১৩ বা ১৪ বছরের এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার হল উত্তরপ্রদেশের আসারাম বাপুর আশ্রমের ভেতরে কার পার্কিংয়ের জায়গা থেকে। প্রসঙ্গত, স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু আসারাম বাপু ধর্ষণ কাণ্ডে এখন জেল খাটছেন। কিশোরীর দেহ এখানে কি করে এল, তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা, কীভাবে তার মৃত্যু হল সব খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ কিশোরীর দেহটিকে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে ওই কিশোরী নিখোঁজ ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আশ্রম থেকে এক ব্যক্তিকেও পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে যোধপুরের বিশেষ আদালত আসারাম বাপুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবনের শাস্তি দেয়। ২০১৩ সালে যোধপুরের আশ্রমে এক ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল এই গুরুর বিরুদ্ধে।
তবে শুধু আসারাম বাপু নন, এবার বাবার পথ ধরে হেঁটে আসারাম বাপুর পুত্র নারায়ণ সাঁইও ধর্ষণে অভিযুক্ত হয়। গুজরাতের সুরাতের ওই ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয় আদালত। ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আসারাম বাপুর শিষ্যা থাকা সুরাতের এক মহিলাকে ২০১৩ সালে ধর্ষণ করেন নারায়ণ সাঁই। ওই মহিলা এবং তাঁর বোন দুজনে মিলে পুলিশের কাছে ২০১৩ সালেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ওই মহিলা অভিযোগ করেন, আসারাম বাপুর সুরাতের আশ্রমে থাকার সময় নারায়ণ সাঁই তাঁকে নিয়মিত যৌন হেনস্থা করতেন। হরিয়ানার পিপলি থেকে গ্রেফতার করা হয় নারায়ণ সাঁইকে। তবে উত্তরপ্রদেশের আসারাম বাপুর আশ্রম থেকে কিশোরীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications