নির্ভয়া কাণ্ডে নাবালক এখন মুক্ত! কী করছে সেই ছেলেটি, জেনে নিন বিস্তারিত
নির্ভয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি বহাল রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে, মূলত যে নাবালক সেই ঘটনায় নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছিল, সে এখন কী করছে।
নির্ভয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি বহাল রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে, মূলত যে নাবালক সেই ঘটনায় নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছিল, সে এখন কী করছে। কৌতুহল তৈরি হয়েছে সাধারণের মনে। জানা গিয়েছে, পুনর্বাসন প্রকল্পে সেই নাবালক দক্ষিণের এক রাজ্যের ধাবায় রাঁধুনির কাজ করছে।

নির্ভয়া ধর্ষণ ও হত্যা কাণ্ডে যে নাবালকের ভূমিকা কিশোর বিচার ব্যবস্থাকেই নাড়িয়ে দিয়েছিল, হোমে থাকার পর সে ছাড়া পেয়ে যায় ২০১৬ সালে। তারপর থেকে সে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আড়ালে ছিল। নৃশংসতম ঘটনাটি ঘটানোর সময় তার বয়স ১৮ বছরের কম থাকায় দেশের আইন অনুযায়ী সে ছাড়া পেয়ে যায়। এখন সে নতুনভাবে জীবন শুরু করেছে।
জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে বিচারের পর ওই নাবালককে পাঠানো হয়েছিল হোমে। ২০১৬ সালে সেখান থেকে ছাড়া পাওয়ার পর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তার পুনর্বাসনের দায়িত্বে ছিল। হোমে থাকার সময়েই ছেলেটিকে দর্জি ও রান্নার কাজ শেখানো হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য ছাড়াও দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারও তাকে অর্থ সাহায্য করেছিল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ছেলেটি দক্ষিণের কোনও রাজ্যে ধাবায় রাঁধুনির কাজ করছে। যাতে তার কোনও অসুবিধা না হয় সেইজন্য ধাবা মালিকের কাছেও, তার পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী সময়ে ছেলেটির নাম প্রকাশ হয়ে গেলেও, তা আইন বিরুদ্ধ। এছাড়াই পরবর্তী জীবনে যাতে ছেলেটি সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে, সেজন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে।
নির্ভয়ার বাবা-মা চাইলেও, দেশের আইন অনুযায়ী নাবালকের বিচার হয়েছিল জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাবালক থেকে বর্তমানে সাবালক হওয়া ছেলেটির ওপর নজর রাখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications