রাজ্যের সরকারি স্কুলে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ছাত্র! এফআইআর দায়ের সিবিআই-এর
নিট-নেটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে তদন্ত শুরু করার পরে এবার হরিয়ানার সরকারি স্কুলে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো ছাত্র নিয়ে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশে এই সংক্রান্ত মামলায় ২০১৯-এর ২০ নভেম্বর সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
তবে এব্যাপারে সিবিআই সুপ্রিম কোর্টে বলেছিল, তদন্তের জন্য লোকবলের প্রয়োজন হতে পারে। সেই কারণে তদন্ত রাজ্য পুলিশকে দেওয়া উচিত। কিন্তু শীর্ষ আদালত আবেদন খারিজ করে দেয়। তারপর সিবিআই এফআইআর দায়ের করে।

সরকারি স্কুলে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো পরীক্ষার্থী
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০১৬-তে হাইকোর্টে জানানো হয়েছিল, তথ্য যাচাইয়ের পরে দেখা গিয়েছে হরিয়ানার বিভিন্ন সরকারি স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণিতে ২২ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ছিল। কিন্তু সেখানে ১৮ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর হদিশ পাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রায় চার লক্ষ ভুয়ো ছাত্রছাত্রীর নাম সেখানে নথিভুক্ত হয়েছিল।
সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে ভুয়ো নাম নথিভুক্ত
আদালতে আরও বলা হয়েছিল, সমাজের অনগ্রসর এবং দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যেতে উৎসাহিত করতে এবং দুপুরের খাবারের প্রকল্পে কিছু সুবিধা দিয়েছিল সরকার। সেই প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করতেই এই ব্যবস্থা।
প্রথম দায়িত্ব ছিল ভিজিল্যান্সের ওপরে
হাইকোর্টের তরফে চারলক্ষ ভুয়ো ছাত্রের জন্য তহবিল নয়ছয়ের তদন্তে রাজ্যের ভিজিল্যান্সকে একজন সিনিয়র অফিসার নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছিল। পাশাপাশি প্রমাণিত অপরাধ বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দিয়েছিল। তারপরে ভিজিল্যান্সের সুপারিশে সাতটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়।
তদন্তের গতি স্লথ হওয়ায় দায়িত্ব সিবিআইকে
২০১৯-এ দেওয়া আদেশে হাইকোর্ট উল্লেখ রাজ্যের ভিজিল্যান্সের এফআইআর দায়েরর পরে তদন্ত খুবই ধীর গতিতে চলছে। যে কারণে সঠিক এবং দ্রুত তদন্তের জন্য সেই দায়ি,ত্ব সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
হাইকোর্টের তরফে রাজ্যের ভিজিল্যান্সকে ২০১৯-এর ২ নভেম্বর দেওয়া আদেশে এক সপ্তাহের মধ্যে সব নথি সিবিআইকে হস্তান্তর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সিবিআইকেও তিন মাসের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলে হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications