করোনার মতোই বাড়ছে সংঘাত! ইন্দো-প্যাসিফিকে শান্তি বজায় রাখতে ভারত-মার্কিন বোঝাপড়া

চিনকে কোণঠাসা করার বিষয়ে ফের ভারত-মার্কিন পারস্পরিক বোঝপড়া আরও সুদৃঢ় করতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ফোনালাপ সারলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও। জানা গিয়েছে পারস্পরিক বোঝারড়া ছাড়াও এই ফোনালাপে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্য়ে আলোচনা হয় কোয়াড নিয়েছ যেখানে ভারত, আমেরিকা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও জাপান রয়েছে।

চিনকে পাল্টা চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ

চিনকে পাল্টা চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ

লাদাখের পরিস্থিতি যেন শান্ত হয়েও ফের উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। সেনা প্রত্যাহারেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না সেখানে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে চিনকে পাল্টা চাপে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, এবার দক্ষিণ চিন সাগরের কাছেই ভারত নৌ মহড়া দেয় ভারত। ভারতের সঙ্গে থাকবে মার্কিন নৌবাহিনীর রণতরী।

গালওয়ান উপত্যকায় শান্তি কী ফিরবে?

গালওয়ান উপত্যকায় শান্তি কী ফিরবে?

গালওয়ান উপত্যকায় শান্তি পুরোপুরি না ফিরলেও তা ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। ভারতের হয়ে আমেরিকার বারংবার গলা ফাটানো কী এর নেপথ্যে রয়েছে? নাকি রয়েছে দিল্লির কোনও সুকৌশল কূটনৈতিক চাল! বেজিংয়ের মনে কী রয়েছে, তা জানা খুব কঠিন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, লাদাখে শান্তি ফেরাতে দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের উপর চাপ বাড়ানো একটি ভালো কৌশল। আর তাই চার শক্তিশালী দেশের 'কোয়াড'-এর উপর অনেকটাই নির্ভর করে রয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি।

লাদাখ ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা

লাদাখ ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা

প্রসঙ্গত, লাদাখের ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনার জন্য চিনকে দোষারোপ করে আগেই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল আমেরিকা। এই বিষয়ে একদিন আগেই বক্তব্য পেশ করেছিলেন মার্কিন প্রতরিক্ষা বিষয়েক সচিব মার্ক এসপার বেজিংকে তোপ দেগে বলেন, 'চিন করোনাকে তাদের প্রোপাগান্ডা প্রচারের খাতিরে কাজে লাগাচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, 'আমরা দেখেছি গত সাত মাসে যখন বিশ্ব করোনা ভাইরাসে জর্জরিত, তখন সেই মহামারীর সুযোগ নিয়ে চিন বারবার বিভিন্ন সীমান্ত উত্তেজনা তৈরি করেছে। দক্ষিণ চিন সাগরে তারা ক্রমেই তাদের বাহুবল দেখানোর প্রক্রিয়া জারি রেখেছে। এছাড়া লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ক্রমেই আরও সেনা বাড়িয়ে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তুলছে চিন। এরকম আগ্রাসী মনোভাব বিশ্ব মেনে নেবে না।'

চিনকে ঘিরতে তৈরি হচ্ছে কোয়াড জোট

চিনকে ঘিরতে তৈরি হচ্ছে কোয়াড জোট

চিন এই মুহূর্তে মার্কিন মুলুক সহ বেশ কয়েকটি দেশের চক্ষুশূল। বেজিং এর আগ্রাসী নীতি ও প্রতিবেশী দেশের ভূখণ্ডে কোপের নীতি কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না আমেরিকা। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস নিমিৎসের সঙ্গে ভারতের নৌসেনা যৌথ মহড়ায় নামে কয়েকদিন আগেই। আন্দামানের কাছে সেই মহড়া শেষ হতেই, দক্ষিণ চিন সাগরের মুখে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের মতো দেশের নৌসেনার সঙ্গে মহড়ায় নামে মার্কিন যুদ্ধবিমান বাহক জাহাজ রোনাল্ড রেগান।

ফোকাসে দক্ষিণ চিন সাগর

ফোকাসে দক্ষিণ চিন সাগর

আদতে সম্পদ সমৃদ্ধ দক্ষিণ চিন সমুদ্র সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিন সব সময়ই নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে৷ 'ঐতিহাসিক অধিকারের' উপর ভিত্তি করে দক্ষিণ চিন সমুদ্রের উপর চিনের কর্তৃত্বকে ২০১৬ সালের সালিশির মাধ্যমে প্রত্যাখান করা হয়েছিল৷ কিন্তু তারপরও এই দক্ষিণ চিন সমুদ্রের উপর থেকে নিজেদের নজর সরায়নি চিন৷

সামরিক হুমকি বাড়িয়ে চলেছে চিন

সামরিক হুমকি বাড়িয়ে চলেছে চিন

গত কয়েক মাস ধরে এই অঞ্চলেও সামরিক হুমকি বাড়িয়ে চলেছে চিন। তারা তাইওয়ান দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা জোরদার করছে, এমনটাই অভিযোগ করা হচ্ছে তাইওয়ানের তরফে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা লক্ষ করলে দেখা যাবে, চিন ধীরে ধীরে তার সামরিক প্রস্তুতি বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষত তাইওয়ানের নিকটবর্তী পানিসীমা ও আকাশসীমায় তারা এ কাজ করে চলছে। তাদের পক্ষ থেকে হুমকি বেড়েই চলছে। এই আবহে মার্কিন সরকারের এক উচ্চপদস্থ সচিবের তাইওয়ান বৈঠক এবং সেদেশের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করা নিঃসন্দেহে চিনের কাছে বড় ধাক্কা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+