খাদ্য ও বাসের দাবিতে মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তে পাথর নিক্ষেপ অভিবাসী শ্রমিকদের
খাদ্য ও বাসের দাবিতে মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তে পাথর নিক্ষেপ অভিবাসী শ্রমিকদের
করোনা সঙ্কটের মধ্যেই ক্রমেই দিকে দিকে আরও দুরাবস্থার শিকার হচ্ছেন অভিবাসী শ্রমিকেরা। এবার খাদ্য ও পরিবহনের দাবিতে বৃহস্পতিবার কয়েকশো অভিবাসী শ্রমিককে মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তের সেন্ধার কাছে পাথর ছুঁড়তে দেখা গেল।

খাদ্য ও পরিবহনের দাবি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ শ্রমিকদের
মহারাষ্ট্র থেকে উত্তর রাজ্য গুলিতে ফেরার পথে বর্তমানে কয়েক হাজার অভিবাসী মধ্যপ্রদেশের বরওয়ানি জেলার সেন্ধায় আটকে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে খাদ্য ও বাসের কোনও ব্যবস্থা না পেয়ে হজার কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিক এদিন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিতে শুরু করেন। শুরু হয় প্রবল অশান্তি।

অভিবাসী শ্রমিকদের দলে অনেক গর্ভবতী মহিলা ও শিশুরাও ছিলেন বলে খবর
এরপর ওইদিন বিকেলের দিকে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে পাথর ছুঁড়তেও দেখা যায়। যদিও এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। সূত্রের খবর, এই অভিবাসী শ্রমিকদেক মধ্যে অনেক গর্ভবতী মহিলা, প্রবীণ নাগরিক এবং শিশুরাও রয়েছেন। খাদ্য, জল এবং পরিবহণের সুযোগ-সুবিধার অভাবে তারা অনেকেই তীব্র সমস্যায় পড়েছেন ।

১৩৫ টি বাসে প্রাথমিক ভাবে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়
এদিন বিপুল সংখ্যক অভিবাসী কয়েক ঘন্টা ধরে মধ্যপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র সীমান্তে খাদ্য ও পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এবং সাতনা, রেওয়া, অনুপপুর সহ মধ্যপ্রদেশের অন্যান্য জেলার অনেক শ্রমিক ও দিনমজুরেরাও তাদের মধ্যে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বরওয়ানি জেলার কালেক্টর অমিত তোমার জানান, সীমান্ত থেকে ১৩৫ টি বাসে প্রাথমিক ভাবে অভিবাসীদের বিভিন্ন জেলার ট্রানজিট পয়েন্টে পাঠানো হয়।

বাসে জায়গা না হওয়াতেই শুরু হয় উত্তেজনা
কিন্তু অনেকের প্রথমে সেই বাস গুলিতে জায়গা না হওয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের একাংশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পরবর্তীকালে সরকারি আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এদিকে, রাজ্য সরকার জানিয়েছে যে গত ১৫ দিনে সেন্ধা সীমান্ত (বিজসেন ঘাট সীমান্ত) থেকে প্রায় ১৫,০০০ অভিবাসী শ্রমিককে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। যার মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে আসা অনেক শ্রমিকই ছিলেন।
প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications