কেরলে উদ্ধারকাজে মাঠে নেমেছে এমআই-১৭ হেলিকপ্টার, আইএনএস গরুড়েই মূল ভরসা নৌ-সেনার
কেরলে উদ্ধারকাজে মাঠে নেমেছে এমআই-১৭ হেলিকপ্টার, আইএনএস গরুড়েই মূল ভরসা নৌ-সেনার
ইতিমধ্যেই পাঁচ জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের ডাকে সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যেই কেরলে উদ্ধারকাজে নেমেছে স্থল সেনা। হাত লাগিয়েছে বায়ুসেনা ও নৌসেনাও। এদিকে বন্যা ও ভূমিধ্বসের জেরে ইতিমধ্যেই সে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এদিকে সবথেকে খারাপ অবস্থা এর্নাকুলাম, ইদুক্কি, ত্রিচূড়, কোট্টায়াম, পত্থনমথিট্টা, পলক্কড় জেলায়। প্রতিটা জেলাতেই জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

মাঠে নামছে এমআই-১৭ হেলিকপ্টার
অন্যদিকে কোট্টায়ের কাভালিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে জোরদার উদ্ধার অভিযান চালাযচ্ছে সেনাবাহিনী। অন্যদিকে আইএনএস গরুড় থেকে ইতিমধ্যেই দুর্যোগ কবলতি এলাকাগুলিতে ত্রাণসামগ্রী ফেলার কাজ করছে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টার। অন্যদিকে বায়ুসেনার দুটি এমআই -১৭ হেলিকপ্টার সাংগুমুঘামে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে যে কোনও মূহূর্তেই সেগুলিকে পাঠানো হবে দুর্যোগ কবলিত এলাকাগুলিতে।

নিখোঁজ ১২
যদিও গতকালই আরও বেশ কয়েকটি এমআই-১৭ এবং সরং হেলিকপ্টার বন্যাকবলিত এলাকায় পৌঁছলেও খারাপ আবহওয়ার কারণে কাজ শুরু করতে পারেনি বলে জানা যায়।সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জনসংযোগ বিভাগের তরফে এই তথ্য সামনে আনা হয়েছে। এদিকে কেরলের প্রশাসন সূত্রে খবর, মোট ১৮ মৃত্যুর মধ্যে বৃষ্টি পরবর্তী ধসে রাজ্যে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। নিখোঁজ আরও অন্তত ১২ জন।

কোন কোন জেলায় সর্বাধিক ক্ষতি
এদিকেযে সব দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে, তার সিংহভাগই মূলত কোট্টায়াম এবং ইদ্দুকি জেলার। এই দুই জেলা এবং পাথনমথিট্টার পাহাড়ি এলাকাগুলিতেই বন্যা হয়েছে এবং ধস নেমেছে সবচেয়ে বেশি। পরিস্থিতি সামলাতে নদী এবং উপকূল এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। আরব সাগরে একটি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কারণে এই ভারী বৃষ্টিপাত বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। এদিকে বৃষ্টির তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে দক্ষিণ ও মধ্য কেরলে।












Click it and Unblock the Notifications