FCRA রেজিস্ট্রেশন নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের, জট কাটতে পারে মাদার টেরিজার সংস্থার
গত কয়েকদিন আগেই মাদার টেরিসার তৈরি সংস্থা মিসনারিজ অফ চ্যারিটির সমস্ত আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা
গত কয়েকদিন আগেই মাদার টেরিসার তৈরি সংস্থা মিসনারিজ অফ চ্যারিটির সমস্ত আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান। যা নিয়ে চরমে ওঠে বিতর্ক।

যদিও দিনের শেষে বিতর্কে মুখ খোলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। স্পষ্ট ভাবে জানানো হয় যে সরকারের তরফে কোনও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে Foreign Contribution Regulation Act (FCRA) অনুযায়ী রেজিস্ট্রশন আটকে রয়েছে বলে জানানো হয়। যদিও এবার সেই সমস্যাও মিটতে চলেছে। এমনটাই মত।
Foreign Contribution Regulation Act (FCRA) অনুযায়ী সমস্ত এনজিওগুলির রেজিস্ট্রেশন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ভ্যালিডিটি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটা বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এই বিষয়ে।
যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জনস্বার্থেই কেন্দ্রীয় সরকার রেজিস্ট্রেশন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩১ মার্চ ২০২২ সালের পর্যন্ত সমস্ত এনজিও গুলির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। যে সমস্ত ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল সেগুলিও সমাধান করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে মন্ত্রকের তরফে দেওয়া ওই বিবৃতিতে।
কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়ার কারনে আটকে ছিল মাদার টেরিজার তৈরি সংগঠন মিসনারিজ অফ চ্যারিটিজের রেজিস্ট্রেশন। মাদার হাউসের তরফে দেওয়া বিবৃতি বলা হয়েছে যে, যেহেতু এখনও রেজিস্ট্রেশন আটকে রয়েছে সেই কারনে সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যাতে ওই অ্যাকাউন্টগুলি কেউ না ব্যবহার করে ফেলে সেই কারনেই এই সিদ্ধান্ত বলেও মাদার হাউসের তরফে জানানো হয়। আর এই পরিস্থিতির গত কয়েকদিনের মধ্যেই FCRA নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
কিন্তু কি এই FCRA?
FCRA-এর মাধ্যমে বিদেশী অনুদানকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর এর মাধ্যমেই সুনিশ্চত করা হয় যে এই অনুদান আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে কোথায় লঙ্ঘন করছে না তো। ১৯৭৬ সালে Foreign Contribution (Regulation) Act-কে প্রথমবারের জন্যে কার্যকর করা হয়েছিল।
কিন্তু ২০১০ সালে বিদেশী অনুদানের ক্ষেত্রে নতু উপায় কার্যকর করার জন্যে এই আইনকে বেশ কয়েকটি জায়গাতে সংশোধন করা হয়। কিন্তু দেশের এনজিওগুলিতে আসা বিদেশী অনুদানের বিষয়ে কড়া নজরদারি চালানো হয়। আর তাতেই আটকে যায় মাদার হাউসের রেজিস্ট্রেশন। তবে সমস্যা সমধান হয়ে যাওয়াতে মনে করা হচ্ছে অ্যাকাউন্ট গুলি ফের খোলার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি বিদেশী অনুদান পেতেও আর কোনও সমস্যা থাকবে না।












Click it and Unblock the Notifications