মহিলা নয়, ভারতের এই পাঁচটি মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ পুরুষদের
ভারতের এই পাঁচটি মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ পুরুষদের
ভারত মানেই ধর্ম–উপাসনা–সংস্কৃতির দেশ। দেশজুড়ে মন্দিরের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে এমন অনেক মন্দির রয়েছে, যেখানে মহিলাদের নয় বরং পুরুষদের প্রবেশ নিষেধ। প্রসঙ্গত, কেরলের সবরীমালা মন্দিরে শুধুমাত্র পুরুষরাই প্রবেশ করতে পারেন। যেখানে মহিলাদের প্রবেশ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তবে এটা ছাড়াও দেশে এরকম অনেক মন্দির রয়েছে যেখানে পুরুষের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেখানে শুধু মহিলারাই পুজো করতে পারেন। সেরকমই পাঁচটি মন্দির সম্পর্কে জানব, যেখানে পুরুষদের নিয়ে বিশেষ নিয়ম রয়েছে।

ব্রহ্মা মন্দির
ভগবান ব্রহ্মার এই মন্দির পুষ্করে অবস্থিত। এই মন্দির তৈরি হয়েছিল ১৪ শতকে তৈরি হয়। দেবী সরস্বতীর অভিশাপের কারণে বিবাহিত পুরুষদের এই মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। পুরুষরা মন্দিরের সামনে থেকেই হাতজোড় করে চলে যান এবং মহিলারা মন্দিরের ভেতর গিয়ে পুজো করেন।

ভগবতী দেবী মন্দির, কন্যাকুমারী
এটি মা ভগবতী দেবীর মন্দির। কথিত আছে যে ভগবান শিবকে স্বামী রূপে পাওয়ার জন্য মা ভগবতী একবার তপস্যার জন্য এখানে এসেছিলেন। ভগবতী মা-কে সন্নাস দেবীও বলা হয় তাই একমাত্র সন্নাস পুরুষরাই মন্দিরের প্রবেশ দ্বার থেকে দেবীর দর্শন করতে পারেন। তবে বিবাহিত পুরুষদের এই মন্দিরে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেবলমাত্র মহিলারাই এই পুজো করতে পারেন।

কামাখ্যা মন্দির, গৌহাটি
সতীপীঠের মধ্যে কামাখ্যা শক্তিপীঠের স্থান সবার ওপরে। মায়ের ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে এখানে উৎসব পালন করা হয়। এই সময়ে, মন্দিরে পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি এই সময়ে কেবল একজন মহিলা পুরোহিত কাজ করেন।

চক্কুলাথুকাবু মন্দির, কেরল
মা দুর্গার এই মন্দিরে প্রত্যেক বছর পঙ্গলের সময় নারীদের পুজো করা হয়। এই পুজো ১০ দিন ধরে চলে এবং এই সময় পুরুষদের মন্দিরে প্রবেশ একবারে নিষেধ থাকে। এছাড়াও পুজোর শেষদিনে পুরুষরা মহিলাদের পা ধুয়ে দেন।

সন্তোষী মায়ের মন্দির, যোধপুর
এই মন্দিরে শুক্রবার পুরুষদরে প্রবেশ নিষেধ। বাকী দিনগুলোতেও পুরুষরা মন্দিরের দরজা দিয়েই দেবীর দর্শন করতে পারেন। এই মন্দিরে পুরুষদের পুজো করার অনুমতি কখনও ছিল না।
ছবি সৌ: ইউটিউব












Click it and Unblock the Notifications