Meghalaya Vote 2023: 'গরুর মাংস খাওয়ায় কোনও বাধা নেই', ভোটের আগে বিতর্ক বাড়ালেন বিজেপি প্রধান
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মেঘালয়ে বিধানসভা ভোট
মেঘালয়ে বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসছে। তারই মাঝে আবার রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ালেন রাজ্যের বিজেপি প্রধান আরনেস্ট মাওরি। তিনি বলেছেন, মেঘালয়ে গরুর মাংস খাওয়ায় কোনও বাধা নেই। কারণ এটাই এখানকার লাইফস্টাইল। এবং তিনি নিজেও গোমাংস খান বলে জানিয়েছেন মাওরি।

শুধু এই মন্তব্য করেই থামেননি মেঘালয়ের বিজেপি প্রধান। তিনি বলেছেন, 'অন্যান্য রাজ্যে গোমাংস বিরোধী যে প্রস্তাব আনা হয়েছে তা নিয়ে তিনি কোনও মতামত দিতে চাননা। তবে আমরা মেঘালয়ে থাকি। এখানে কোনও মাংস খাওয়ার উপরেই কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। এখানে সকলেই গোমাংস খেয়ে থাকেন। কারণ এটা মেঘালয়ের মানুষের জীবনযাত্রার অংশ। এটা কেউ আটকাতে পারে না। এবং ভারতেও এরকম কোনও নিয়ম নেই।'
মাওরি আরও বলেছেন, মেঘালয়ে গরুর মাংস , শুয়োরের মাংস বাজারে বিক্রি হয়। এবং সেটা বেশ পরিচ্ছন্ন ভাবেই বিক্রি করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মেঘালয়ের প্রতিবেশী রাজ্য অসমে গোমাংস খাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবং অসম সরকার উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিকে গোমাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ পর্যন্ত জানিয়েছিলেন। হিন্দু অধ্যষিত এলাকায় গো মাংস ভক্ষণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা।
েমঘালয়ে বিজেপিকে ক্রিশ্চান বিরোধী রাজনৈতিক দল বলে প্রচার করা হচ্ছে। তার বিরোধিতা করেছেন মাওরি। তিনি বলেছেন কেবল মাত্র রাজনৈতিক কারণে বিজেপির বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন গত ৯ বছর ধরে এনজিএ জোট সরকার মেঘালয়ে সরকার চালাচ্ছে। এই শাসনকালী একটি চার্চের উপরেও কোনও রকম আক্রমণ করা হয়নি। বিরোধীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই সব নিয়ে অপ প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। উল্টে তিনি দাবি করেছেন মেঘালয়ে ক্রিশ্চান ধর্মাবলম্বি মানুষের সংখ্যা বেশি। এখানে প্রায় সকলেই প্রতিদিন চার্চে যান।
তিনি আরও বলেছেন মেঘালয়ের মত গোয়াতেও ক্রিশ্চানদের সংখ্যা বেশি। গোয়াতেও বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। অথচ কোনও চার্চের উপরে হামলা চালানো হয়নি। তিনি দাবি করেছেন তিনি নিজেও ক্রিশ্চানব এবং প্রায় প্রতিদিনই তিনি চার্চে যান। তৃণমূল-কংগ্রেস রাজনৈতিক স্বার্থে অপ প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেেছন।












Click it and Unblock the Notifications