মেগা ফ্রন্ট INDIA-র পরবর্তী বৈঠকের দিন স্থির হয়ে গেল, ২৬ দলের যৌথ সমাবেশে কী চমক
পাটনায় প্রথম বৈঠকে জোটের গৌরচন্দ্রিকা সারা হয়ে গিয়েছিল। তারই সূত্র ঘরে বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় বৈঠকেই মেগা ফ্রন্ট INDIA-র মঞ্চে নাম লিখিয়েছে ২৬ দল। বিজেপি বিরোধী সেই ২৬টি দল এবার যৌথ সমাবেশ করতে চলেছে মুম্বইয়ে। স্থান আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল, এবার কালও চূড়ান্ত হয়ে গেল যৌথ সমাবেশের।
ইন্ডিয়া জোটের তৃতীয় বৈঠক মুম্বইয়ে বসছে আগামী ২৫ ও ২৬ অগাস্ট। ২৪ দিনে দল ২০২৪-এ বিজেপি বিরোধী কী নির্বাচনী ও রাজনৈতিক কৌশল নেবে, তা নিরূপণেই সমবেত হবেন বিরোধী মেগা ফ্রন্টের নেতা-নেত্রীরা। ইন্ডিয়া বা ভারতীয় ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স গঠিত হওয়ার পর প্রথম এই বৈঠক নিয়ে তৎপরতা এখন তুঙ্গে।

শিবসেনা (ইউবিটি)-র নেতা উদ্ধব ঠাকরে ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার এই বৈঠকের আয়োজন করবেন। এই বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে সমন্বয় কমিটি এবং অন্যান্য প্যানেলের নাম। বৈঠকের পর যৌথ সমাবেশের আয়োজন করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। ১৮ জুলাই বেঙ্গালুরুর বৈঠকের পরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছিলেন, মুম্বাইতে ১১ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। প্রচারাভিযান পরিচালনা, যৌথ সমাবেশ ও কর্মসূচির জন্য একটি কেন্দ্রীয় সচিবালয়ও স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।
গত তিন মাসে ইন্ডিয়া জোটের তৃতীয় বৈঠক হতে চলেছে। প্রথম সভা হবে ২৩ জুন পাটনায় এবং দ্বিতীয় সভা ১৭-১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় বেঙ্গালুরুতে। পাটনার সভায় ১৫টি দল যোগদান করেছিল। বেঙ্গালুরু সভায় সেই দলের সংখ্যা বেড়ে হয় ২৬টি। এরই মধ্যে মণিপুর হিংসা নিয়ে সংসদে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে 'ইন্ডিয়া' জোট প্রথম যৌথ প্রতিবাদ করেছে এবং অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেছে।

মোদী সরকার গণতন্ত্রের উপর আঘাত এনেছে বলে অভিযোগ করে নবগঠিত বিরোধী জোট বেঙ্গালুরুর সভায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ভারতের ধারণাকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। খাড়গে বলেছিলেন, "আমরা গণতন্ত্র বাঁচাতে আমাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে রাখছি। মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র এবং সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য একসাথে লড়াই করা।"
কংগ্রেসের পাশাপাশি, নতুন ভারত জোটে আম আদমি পার্টি বা আপ, তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসি, দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম বা ডিএমকে, রাষ্ট্রীয় জনতা দল বা আরজেডি, জনতা দল ইউনাইটেড বা জেডিইউ, সমাজবাদী পার্টি বা সপা, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি ও শিবসেনা (ইউবিটি)-র মতো শক্তিশালী আঞ্চলিক দলগুলি রয়েছে। এই মর্মে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে 'নরেন্দ্র মোদী বনাম ভারতের লড়াই' বলে অভিহিত করেন রাহুল গান্ধী।












Click it and Unblock the Notifications