চন্দ্রবাবুর সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠক! রাজনৈতিক আত্মহত্যার সামিল বলছেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা
গত সপ্তাহের তেলেগু দেশম পার্টি অর্থাৎ টিডিপির সঙ্গে বিজেপির বৈঠক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে! টিডিপি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই বৈঠক রাজনৈতিক ভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
তবে তার আগে চলতি বছরের শেষেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানাতে। অন্ধ্রপ্রদেশের মূল বিরোধী দল টিডিপি। আসন্ন নির্বাচনে হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে মরিয়া টিডিপি। তেলেঙ্গানাতেও চন্দ্রশেখর রাওয়ের দল প্রায় মুছে ফেলেছিল টিডিপিকে।

এক সময়ে বিজেপির সঙ্গে জোট থাকলেও বিচ্ছেদ হয়ে যায় ২০১৮ সালে। অন্ধ্রপ্রদেশকে বিশেষ স্ট্যাটাস দিতে দেরি হওয়াতে চন্দ্রবাবু হাত মিলিয়ে ছিলেন কংগ্রেসের সঙ্গে। ২০১৮ সালের তেলেঙ্গানা বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়েও টিডিপি ভাগ্যে জুটেছিল মাত্র দুটি আসন।
শুধু তাই নয়, ভোটের পর সেই দুই বিধায়কও নাইডুর হাত ছেড়ে চলে যায়। ফলে টিডিপির ভাগ্যে জুটেছিল শূন্য! সম্প্রতি টিডিপি জানিয়েছে, তেলেঙ্গানার দিকেই তাঁরা বেশি করে নজর দিচ্ছে। গত বছর ডিসেম্বরে খাম্ভামে একটি বড় জনসভা করেছিলেন চন্দ্ররবাবু নাইডু। সেখান থেকেই এই কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি।
অতীতের গৌরব ফিরে আনতে তাঁর দল বদ্ধপরিকর বলেও জানিয়েছেন নাইডু। তবে নাইডুর সঙ্গে অনেকদিন ধরে দূরত্ব বজায় রেখেই চলছিল বিজেপি। কারন তিক্ত অতীতের কথা ভোলেনি তাঁরা। এই চন্দ্রবাবুই ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সন্ত্রাসবাদী বলে আক্রমণ করেছিলেন।
কার্যত এরপর থেকেই বিজেপির দরজা বিন্ধ হয়ে যায় তাঁর জন্যে। তবে বিজেপি সম্প্রতি কৌশলে বেশ কিছু বদল এনেছে। দক্ষিনের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে সহাবস্থানে আসতে উদ্যোগী হয়েছেন। বিশেষ করে কর্নাটকের ফলাফল আরও বেশি করে কৌশল বদলাতে কার্যত বিজেপিকে বাধ্য করেছে।

এক বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা বলছেন, টিডিপির সঙ্গে হাত মেলানো রাজনৈতিক আত্মহত্যার সামিল। যে ভুল ২০১৮ সালে করেছিল কংগ্রেস। আর তাই বিজেপি কোনও ঝুঁকি নেবে না বলেই মনে করছেন ওই নেতা। বিশেষ করে নাইডুর সঙ্গে শাহের বৈঠকের পর এহেন মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications