অযোধ্যা মামলার খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ উপদেশ জারি
অযোধ্যা মামলার খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ উপদেশ জারি
অযোধ্যা মামলা নিয়ে খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমগুলিকে বিশেষ উপদেশ জারি করল নিউজ ব্রডকাস্টিং স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি। এই মর্মে জারি করা উপদেশেগুলি হল :

- কোনও ভাবে আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়ে জল্পনা করা নয়।
- শুনানি ও মামলা সম্পর্কিত শোনা যেকোনও তথ্যের সত্যতা জাচাই আবশ্যিক।
- বাবরি মসজিদ ধ্বংসের কোনও ফুটেজ বা ছবি ব্যবহার করা যাবে না।
- কোনও পক্ষের কোনও উল্লাস দেখানো যাবে না।
- চ্যানেলগুলিকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনও বিতর্ক অনুষ্ঠানে কট্টরপন্থী মনোভাবের প্রচার না করা হয়।
দীর্ঘ ৪০ দিনের টানা শুনানির পর আজ অযোধ্যা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানির সমাপ্তি। আজ বিকেল ৪টের সময় শুনানি শেষ হয়। এরপর এবার পালা এই মামলার রায়ের।
বিতর্কিত এই জমি নিয়ে প্রথমবার মামলা হয় ১৮৫৭ সালে। তৎকালীন ব্রিটাশ বিচার ব্যবস্থায় বিবাদের সাময়িক নিষ্পত্তি হলেও দেশ স্বাধীন হওয়ার দুই বছর পর ফের বিতর্ক শুরু হয় জমিটি নিয়ে। এরপর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ভআরতীয় বিচার ব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে শেষের পথে এই মামলা। ১৯৪৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এই বিতর্কিত জমি সংক্রান্ত বিবাদের মামলাটি ঝুলে থাকে ফৌজাবাদের দায়রা আদালতে। এরপর মামলাটি তোলা হয় এলাহাবাদ হাইকোর্টে। এর দুই বছর পর মামলাটি হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে এরপরও বহু বছর মামলায় কোনও অগ্রগতি হয়নি। পরে ২০১০ সালে এই সংক্রান্ত মামলার প্রেক্ষিতে রায় দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তবে এরপরও চলতে থাকে আইনি লড়াই।
২০১০ সালের এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অযোধ্যা সংক্রান্ত ১৪টি মামলার আবেদন জানানো হয় শীর্ষ আদালতে। সেই আবেদনগুলির যৌথ শুনানি গত দেড় মাস ধরে চলে শীর্ষ আদালতে। এদিকে আগামী মাসের ১৭ তারিখ প্রধান বিচারপতি হিসাবে মেয়াদ শেষ হচ্ছে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের। এই মামলা শুরু হতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, তাঁর অবসরের আগে এই মামলার নিস্পত্তি করে যাবেন তিনি। সেই পথেই এগোচ্ছে শীর্ষ আদালত। তবে ভারতের অন্যতম সংবেদনশীল এই মামলাকে ঘিরে যাতে কোনও হিংসা না ছড়ায় সেই দিকে তাকিয়েই এই মামলা সংক্রান্ত খবর পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ উপদেশ জারি করা হল।












Click it and Unblock the Notifications