দিল্লির পর মহারাষ্ট্রেও জোটে ভাঙন! বড় সিদ্ধান্ত নিলেন উদ্ধব ঠাকরে, অস্বস্তি বাড়ছে কংগ্রেসের
Maha Vikas Aghadi: দিল্লির পর এবার মহারাষ্ট্রেও ইন্ডি জোটে ভাঙন। কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে জোট শরিকরা। আজ বড় সিদ্ধান্ত নিলেন শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে।
পুরসভা-সহ স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে মহা বিকাশ আঘাড়ির হয়ে নয়, একাই লড়বেন বলে জানিয়ে দিলেন উদ্ধব। স্বাভাবিকভাবেই জোট-জটিলতা অস্বস্তি বাড়াচ্ছে কংগ্রেসের।

দিল্লি নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সমর্থনের বার্তা দিয়েছিলেন উদ্ধব। তারপর এদিনের পদক্ষেপ। জোটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের কাজের পরিসর কমার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক বিকাশের লক্ষ্যেই একা লড়ার সিদ্ধান্ত বলে সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত।
মহারাষ্ট্রে সামনেই স্থানীয় স্তরের নির্বাচন রয়েছে। উদ্ধবের দলের সিদ্ধান্ত সামনে আসার পর কংগ্রেসও ভাবনাচিন্তা শুরু করল তারা একা লড়বে কিনা। যদিও মহা বিকাশ আঘাড়ির জোটে শিবসেনা (ইউবিটি)-র সিদ্ধান্ত প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছে শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি)।
সঞ্জয় রাওয়াতের কথায়, ইন্ডি জোট ও মহা বিকাশ আঘাড়িতে কংগ্রেস ও এনসিপি (এসপি)-র সঙ্গে থাকা বিধানসভা ও লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই। জোটে বিভিন্ন দলের কর্মীদের কাজের ক্ষেত্র বাধা। সংগঠনের বিকাশের পথেও এই ব্যবস্থাপনা অন্তরায়। মুম্বই, থানে, নাগপুর-সহ বিভিন্ন কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত স্তরে তাই নিজেদের শক্তি অনুযায়ী একাই লড়বে শিবসেনা (ইউবিটি)।
ইতিমধ্যেই দলকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছেন উদ্ধব। ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিজেপি, শিবসেনা ও এনসিপির মহায়ুতি ২৩০টি আসনে জিতেছিল। মহা বিকাশ আঘাড়িতে পারস্পরিক বোঝাপড়া-সহ নানা বিষয়ে যে সমস্যা রয়েছে তাতে কংগ্রেসকেই দায়ী করছেন রাউতরা।
রাউতের কথায়, ইন্ডি জোটে আহ্বায়ক অবধি ঠিক করা হয়নি। এটা ঠিক নয়। কংগ্রেস বৃহত্তম দল, তাদেরই তো বৈঠক ডাকার দরকার ছিল। কিন্তু লোকসভা ভোটের পর একটি বৈঠকও হয়নি। এনসিপি (এসপি) নেতা জিতেন্দ্র আওহাদ বলেন, শিবসেনা (ইউবিটি) একা লড়তে চাইলে আমরা জোর করে কাউকে থামাতে পারি না। বিধানসভা ভোটের পর সকলের একজোট থাকা দরকার ছিল। ফলে আমি মনে করি না তারা সঠিক পদক্ষেপ করছে বলে।
এনসিপি (এসপি)-র কার্যকরী সভাপতি সুপ্রিয়া সুলে বলেছেন, স্থানীয় স্তরের নির্বাচনরা দলের কর্মীদের। সবই যদি আমরা সুবিধামতো করি তাহলে ক্যাডাররা কী করবেন? কংগ্রেসের নেতারা তাকিয়ে হাইকম্য়ান্ডের দিকে। শিবসেনা (ইউবিটি)-র পদক্ষেপকে আমল দিতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস।












Click it and Unblock the Notifications