মাওবাদীদের আইইডি বিশেষজ্ঞ, সুকমা পুলিশকে ঘোল খাওয়ানো মহেশ অবশেষে নিকেশ যৌথ অপারেশনে
মাওবাদী মহেশ কোরসা (৩৬) পুলিশি এনকাউন্টারে নিকেশ হয়েছে। নামটা শুনতে সাধারণ মনে হলেও মোটেও সাধারণ মাওবাদী ছিল না এই মহেশ। মাওবাদীদের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ হিসাবে তার নাম অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল ছত্তিশগড় পুলিশের কাছেও। তবে অবশেষে সুকমা জেলার পুলিশ স্বস্তি পেয়েছে মহেশের এনকাউন্টার হওয়ায়।
গত কয়েক বছরে একেরপর এক জায়গায় আইইডি পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জওয়ান সহ লোকজন মেরেছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়ে হওয়া এই হামলাগুলিতে আইইডি বসানোর কাজ করেছে এই মহেশই। গত সপ্তাহে তিন মাওবাদী নিকেশ হয়েছে পুলিশ এনকাউন্টারে। মহেশ তাদেরই একজন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্র বলছে, এই মহেশ ২০১৭ সালে ২৫ জন জওয়ান শহিদে, ২০২০ সালে ১৭ জন জওয়ান শহিদে, ২০২১ সালে ২২ জন জওয়ান শহিদের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে ছিল। এছাড়াও আরও অনেক মাও হামলায় বিশেষজ্ঞ হিসাবে নেতৃত্ব দিয়েছে এই মহেশ। ২০১৫ সালে প্রথমবার তার নাম পুলিশের সামনে আসে।
অতীতে বেশ কয়েকবার পুলিশের হাতে এসেও ফসকে বেরিয়ে গিয়েছিল মহেশ। তবে গত ৮ তারিখ ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ও কোবরা ফোর্সের যৌথ অপারেশনে অবশেষে ধরাশায়ী মহেশ। এনকাউন্টারের ঘটনাটি ঘটেছে পালিগুড়া ও গুন্ডরাজ জঙ্গলের মাঝের পাহাড়ি এলাকায়।
মহেশ ছিল পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির ডেপুটি প্ল্যাটুন কম্যান্ডার। আগে বারবার ফাঁক গলে পালিয়ে গিয়েছিল সে। গতবছরের জুন মাসে সুকমা এলাকাতেই আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুই কোবরা জওয়ানকে শহিদ করেছিল এই মহেশ।
বিজাপুরে জন্ম মহেশের। ২০১০ সালে সে মাওবাদীদের দলে ভিড়ে যায়। ২০১৭ সাল থেকে আইইডি পোঁতার প্রশিক্ষণ নিয়ে গত আট বছর ধরে পুলিশের ত্রাস ছিল সে। তার স্ত্রী হেমলা মাও সংগঠনে চিকিৎসকের দায়িত্ব সামলায়।












Click it and Unblock the Notifications