বিজেপি রাজ্য সভাপতির পদত্যাগের বার্তা! দিল্লির ব্যর্থতা সত্ত্বেও যা ‘জবাব’ দিলেন সুপ্রিমো
বিজেপি রাজ্য সভাপতির পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ! দিল্লির ব্যর্থতায় ‘জবাব’ দিলেন সুপ্রিমো
দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপের কাছে শোচনীয় হারের পর পদত্যাগ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি মনোজ তিওয়ারি। তিনি পদত্যাগপত্র জমাও দিতে যান বিজেপির সর্বভারতী সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে। কিন্তু তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। তিনি মনোজ তিওয়ারিকেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আপ ঝড়ে লন্ডভন্ড
দিল্লির ভোটের ফল বেরনোর পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুভা, চোপড়া পদত্যাগ করেছেন। এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতিও পদ ছাড়তে চাইলেন। এক আপ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে সব। তাই দেশের শীর্ষ দুই দলেই বিজেপিতে বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মনোজকে বার্তা নাড্ডার
দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার একদিন পর বুধবার দিল্লির বিজেপি প্রধান মনোজ তিওয়ারি পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব তিওয়ারিকে আপাতত দিল্লি বিজেপি প্রধান হিসাবে চালিয়ে যেতে বলেছেন। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বুধবার সন্ধ্যায় সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে এমন শোচনীয় পরাজয়ের নেপথ্যে দলের দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা হবে।

আভাস পেয়েই ইচ্ছাপ্রকাশ!
দিল্লিতে হারের পরই সূ্ত্রের খবর ছড়িয়ে পড়ে, দিল্লি নেতৃত্বের খোলনলচে একেবারে বদলে ফেলতে চাইছে বিজেপি। এমনকী রাজ্য সভাপতিকেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। সরিয়ে দেওয়া হতে পারে রাজ্য নেতৃত্বের আরও অনেককেই। এই আভাস পেয়েই মঙ্গলবার দিল্লি নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির ব্যর্থতার দায় নিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চাওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

পদত্যাগপত্র ফিরিয়ে কাজে বহাল
সেইমতোই মনোজ তিওয়ারি তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ নেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোজ তিওয়ারি দিল্লির দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে পদ ত্যাগ করতে চান। চান বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে। কিন্তু জেপি নাড্ডা তা গ্রহণ করেননি। এখানে উল্লেখ্য, মনোজ তিওয়ারি ইতিমধ্যে দিল্লির সভাপতি হিসেবে তিন বছরের মেয়াদও সম্পূর্ণ করে ফেলেছেন।

২০১৬ থেকে ২০১৯ মেয়াদ পূর্ণ
২০১৬ সালে তিনি দিল্লি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। ২০১৯-এই তাঁর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নতুন কাউকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়নি। দিল্লি নির্বাচনে জয়ী হলে মনোজ তিওয়ারির সভাপতিত্বের মেয়াদ বাড়তে পারত। এখন কীা সিদ্ধান্ত নেন জেপি নাড্ডা তার উপরই নির্ভর করে আছে সব।












Click it and Unblock the Notifications