সংঘাতের জের! টুইটার ইন্ডিয়ার কর্তাকে নতুন পদ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমেরিকায়
কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে টুইটারের বিবাদ চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। কখনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, আবার কখনও ভারতের টুইটারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অবশেষে একটা বড় স
কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে টুইটারের বিবাদ চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। কখনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, আবার কখনও ভারতের টুইটারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অবশেষে একটা বড় সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন এই সংস্থা। মাইক্রো ব্লগিং সাইটের তরফে সরিয়ে নেওয়া হল টুইটার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিশ মাহেশ্বরীকে।

ভারতের জন্য আর কোনও ডিরেক্টর রাখা হবে না বলে সংস্থা তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমেরিকায় একটি বড় পদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাহেশ্বরীকে। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ভারতের টুইটারের দায়িত্বে থাকবে একটি লিডারশিপ কাউন্সিল।
সংস্থার অন্দরে এই সংক্রান্ত যে মেল এসেছে সেখানে বলা হয়েছে, 'একজন ডিরেক্টরের বদলে ভারতের টুইটারের টিমকে চালাবে লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্যরা। এছাড়া সবসময় টুইটারের জাপান শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ-সান টিমের পাশে থাকবে।' টুইটারের তরফ থেকে এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, মনিশ মাহেশ্বরী টুইটার ছাড়ছেন না, তবে আমেরিকায় চলে যাচ্ছেন।
ওই মুখপাত্র বলেন, 'সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে সান ফ্রান্সিসকোতে চলে যাচ্ছেন মনিশ। রেভিনিউ স্ট্র্যাটেজি ও নিউ মার্কেট এন্ট্রির বিষয় দেখাশোনা করবেন তিনি। জাপানে টুইটারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউসান টুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন মনিশ মাহেশ্বরী।
তিনি লিখেছেন, দু'বছর ধরে ভারতের জন্য যে ভূমিকা নিয়েছেন মনিশ, তার জন্য ধন্যবাদ। আমেরিকায় নতুন দায়িত্বের জন্য শুভেচ্ছা।' এবার সংস্থার ভারতের শাখার দায়িত্বে থাকবেন হেড অফ সেলস কনিকা মিত্তল ও বিজনেস হেড নেহা শর্মা কাটিয়াল। ইউ সানের কাছে রিপোর্ট করবেন এরা।
গত জুন মাস থেকে একাধিকবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে মনিশ মাহেশ্বরীর নাম। গত জুন মাসে গাজিয়াবাদ পুলিশ টুইটারের এই আধিকারিককে সমন পাঠিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা মনীশ দ্বারস্থ হন কর্ণাটক হাই কোর্টের। গাজিয়াবাদ পুলিশকে আদালতের তরফে অর্ন্তবর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যাতে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া হয়।
এরপরও ভারতে ট্যুইটারের পলিসি সংক্রান্ত বিষয়ে বারবার সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছিল কেন্দ্রের সঙ্গে। এর আগে তৎকালীন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়। নিয়ম ভাঙার অভিযোগ তোলে টুইটার। আর সম্প্রতি রাহুল গান্ধী সহ একাধিক কংগ্রেস নেতার টুইটার অ্যাকাউন্টও ব্লক করে দেওয়া হয়।
মাইক্রো ব্লগিং সাইটের তরফে জানানো হয়েছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে এমন কিছু পোস্ট করা হয়েছে, যা সংস্থার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই ব্লক করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে টুইটার।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে, দিল্লিতে এক দলিত নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বুধবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাহুল। তারপরই নির্যাতিতার মা-বাবার ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন তিনি। তার জেরেই অভিযোগ শিশু সুরক্ষা কমিশন। এরপরই রাহুলের অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications