Manipur Violence: বীরেনে 'অনাস্থা'! মণিপুরে গণ ইস্তফা বিজেপির, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি কনরাড সাংমার
Manipur Violence: মণিপুরের জিরিবামে গণ ইস্তফা (mass resignation) বিজেপি নেতৃত্বের। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে বীরেনের সরকার ব্যর্থ অভিযোগ করে রবিবারই বিজেপি সরকারের থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে কনরাড সাংমার (Conrad Sangma) দল এনপিপি (NPP)। আর এবার সোমবার মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের ইস্তফা দাবি করলেন এনপিপি প্রধান কনরাড সাংমা।
বীরেনের (N Biren Singh) নেতৃত্বে আস্থা হারাচ্ছেন বলে দাবি করেন সাংমা। এদিন তিনি বলেন, "রাজ্যবাসীর দুর্দশা দেখে আমরা নিজেদের আটকাতে পারছি না। পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হচ্ছে না। তাই বীরেন সিংয়ের নেতৃত্বে আমরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছি।" তবে শীর্ষ নেতৃত্বে বদল হলে মণিপুরের সরকারের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান সাংমা।

এনপিপির সমর্থন প্রত্যাহারের পর দলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে জিরিবামের বিজেপি (BJP) নেতৃত্বও। গণ ইস্তফার পথে হাঁটছে তারা। যদিও রাজ্য বিজেপির সদর দফতরের দাবি জিরিবাম (Jiribam) মণ্ডল বিজেপির তরফে কোনও ইস্তফাপত্র তাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি। এদিন মণিপুরের বিজেপি প্রধান সারদা দেবীকে স্বাক্ষর করা গণ ইস্তফাপত্র দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে জিরিবামের বিজেপি নেতৃত্ব।
রবিবার জিরিবামে বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বছর ২০-র এক যুবক। এরপর স্থানীয় বিজেপি ও কংগ্রেসের কার্যালয় জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আসবাবপত্র থেকে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
সোমবার মণিপুর নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এর আগে মণিপুরে ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি পাঠিয়ে মোট ৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত মণিপুরে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মণিপুরে নতুন করে অশান্তির ৩টি আলাদা আলাদা ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ। জিরিবামে নিরাপত্তা বাহিনী ও কুকিদের মধ্যে এনকাউন্টারের ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ। অন্যদিকে, ৬ জন মেইতেইকে অপহরণ ও খুনের অভিযোগের ঘটনারও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হল এনআইএ-কে।












Click it and Unblock the Notifications