‘মণিপুর কি বাত’-এ কেন নীরব মোদী! সীমান্ত রাজ্যের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন মল্লিকার্জুনের

উত্তর-পূর্বের সীমান্ত রাজ্য মণিপুর অগ্নিগর্ভ। জাতি দাঙ্গায় পুড়ছে গোটা রাজ্য। রক্ত ধরছে, চলে যাচ্ছে প্রাণ, জ্বলছে রাজ্য। তারপরও কেন নীরব প্রধানমন্ত্রী। কেন মণিপুরের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে দেড় শতাধিক প্রাণ ঝরে গেলেও নীরব মোদী, প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গে।

কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলকে হিংস-বিধ্বস্ত মণিপুরে যাওয়ার অনুমতি দিতে এবং সীমান্ত রাজ্যে শান্তি বিঘ্নিতকারী বিষয়গুলি দমন করার জন্য কাজ করার অনুমতি দেওয়ার আবেদন করেন।

‘মণিপুর কি বাত’-এ কেন নীরব মোদী! প্রশ্ন মল্লিকার্জুনের

কংগ্রেস সভাপতি তাঁর টুইট বার্তায় আরো বলেন, মণিপুরের পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগজনক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত রাজ্যটিকে উপেক্ষা করে চলেছে। মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখে একটিও কথা নেই। কেন মণিপুর কি বাতে নীরব রয়েছে মোদী?

খাড়গে বলেন, "আপনার মন কি বাতে প্রথমে 'মণিপুর কি বাত' অন্তর্ভুক্ত করা উচিত ছিল। সীমান্ত-রাজ্যের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক জেনেও প্রধানমন্ত্রীর নীরব থাকা উচিত কাজ নয়। এইসব দেখে মনে হচ্ছে আপনার সরকার মণিপুরকে ভারতের অংশ হিসাবে বিবেচনা করে না। এটা নিন্দনীয়।"

মণিপুর ফের নতুন করে সংঘর্ষ বাধছে। ওই রাজ্য ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মেইতি ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ জাতিদাঙ্গার রূপ নিয়েছে। আর তার শিকার হয়েছেন দেড় শতাধিক মানুষ। বহু মানুষ ঘর হারিয়েছেন, ভয়ে-আতঙ্কে রাজ্যছাড়া হচ্ছেন অনেকে।

গত ৩ মে মণিপুরে একটি সমাবেশের পরে বড়ো আকারের হিংসা শুরু হয়। রাজ্য সরকার বেশ কয়েকটি জেলায় কারফিউ জারি করে। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। হিংসা নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে।

‘মণিপুর কি বাত’-এ কেন নীরব মোদী! প্রশ্ন মল্লিকার্জুনের

এমনকী এই ঘটনায় উত্তেজিত জনতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন দেয়। গুলি চালানো, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জনতার সংঘর্ষ এবং বিজেপি নেতাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হয়। এরপর মল্লিকার্জুন খাড়গে টুইট করে বলেন, রাজ্য জ্বলছে, আর আপনার সরকার ঘুমিয়ে আছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে রাজ-ধর্ম পালন করার কথা বলেন।

এখানে উল্লেখ্য, এক মাস আগে মণিপুরে মেইতি এবং কুকি সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে জাতিগত বিদ্বেষ তৈরি হয়। এই ঘটনায় ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে, রাজ্য পুলিশ বাহিনী ছাড়াও প্রায় ৩০ হাজার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কর্মী মণিপুরে আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালনের জন্য মোতায়েন রয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+