Manipur Violence: মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে বড় বিবৃতি জোটসঙ্গীর! বিজেপিকে হুঁশিয়ারি
মণিপুরে সাম্প্রতিক হিংসা (Manipur Violence) শুরু হয়েছিল ৩ মে। আধাসামরিক বাহিনীর পরে সেনা নামিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি সেখানকার সরকার। প্রত্যেক দিনই কোনও না কোনও বিজেপি নেতা কিংবা তাদের পার্টি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটছে। হচ্ছে পাল্টা হামলাও।
এই পরিস্থিতিতে মণিপুর সরকারের তথা বিজেপির জোট সঙ্গী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বড় বিবৃতি দিয়েছে। দলের নেতা ওয়াই জয়কুমার সিং বলেছেন, আগামী দিনে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিজেপির সঙঅগে জোট নিয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন। তিনি বলেছেন, তারা নীরব দর্শক হয়ে থাকবেন না, বিজেপির সঙ্গে সমীকরণ নিয়ে ভাবতে বাধ্য হবেন।

এনপিপি নেতা বলেছেন, মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি সেখানে ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ করা উচিত। তিনি বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের। কিন্তা বর্তমান হিংসার মোকাবিলায় কোনও সঠিক পরিকল্পনা করা হচ্ছে না। বর্তমানে অবস্থার (Manipur Violence) উন্নতির কোনও আশা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ওই নেতা বলেছেন, রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী আরকে রঞ্জনের বাড়ি টার্গেট করা হয়েছিল। এরপর রাজ্যে বিজেপির মন্ত্রী এবং তাদের সহযোগীদের টার্গেট করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের পরেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি বলেছেন, মণিপুর এখন দ্বৈত নিয়ন্ত্রণে। কেননা সেখানে কেন্দ্র না রাজ্য কার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন এনপিপি নেতা। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মণিপুরের দায়িত্ব কার হাতে রয়েছে, তা পরিষ্কার না হলে (Manipur Violence) পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

তিনি বলেছেন, প্রথমেই তারা এনপিপি মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া স্মারকলিপিতে কয়েকটি পদক্ষেপের সুপারিশ করেথিল। পরিস্থিতির মোকাবিলায় সঠিক পরিকল্পনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে সক্রিয় করে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে জোটে থাকবেন, নাকি বিরোধী জোটে যাবেন, তাও বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন ওই নেতা।
এনপিপি নেতা বলেছেন, বাহিনীর অভাব নাা থাকলেও জাতীয় সড়ক খুলতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। (Manipur Violence) সংবেদনশীল এলাকাগুলির দিকে আরও নজর দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শান্তি কমিটিতে মনোনীত সদস্যরা কমিটিতে থাকতে চান না বলেও দাবি করেছেন ওই নেতা।
মণিপুর বিধানসভায় ৬০ টি আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে রয়েছে ৩২ টি আসন অর্থাৎ বিজেপির নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা রয়েছে। এর ছাড়াও সরকারকে সমর্থন করছে এনপিপি এবং এনএনপি। এর মধ্যে এনপিপির সাতটি এবং এনএনপির পাঁচটি আসন রয়েছে। বিরোধীদের মধ্যে কংগ্রেসের পাঁচটি, কুকি পিপলস অ্যালায়েন্সের দুটি, জেডিইউ-এর ছটি আসন রয়েছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications