Manipur Violence: মনিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ জনতার! বিজেপি নেতাদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা
মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলে নতুন করে হিংসা (Manipur Violence)। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতাদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উন্মত্ত জনতার একাংশের বিরুদ্ধে।
উপজাতি সংরক্ষণ নিয়ে ৩ মে মনিপুরের কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর একের পর এক হিংসা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেই চলেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আর কে রঞ্জন সিং-এর বাড়িতে হাজারের বেশি লোক হামলা চালায় এবং পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারপরেও হিংসা থামাতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী।

মনিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার কোয়াকতা এবং চুরাচাঁদপুর জেলার কাংভাইয়ে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক থেকে গুলি চালনার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে ইম্ফল পশ্চিমের ইরিংবাম থানা থেকে অস্ত্র লুট করার চেষ্টা হলেও হামলাকারীরা কোনও অস্ত্র লুট করতে পারেনি।
ইম্ফলে হিংসা (Manipur Violence) রুখতে সেনাবাহিনী, অসম রাইফেলস এবং মনিপুর পুলিশের মিলিত বাহিনী শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত টহল দেয়। সেই রাতেই প্রায় হাজার জনকে ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনীয় টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং রবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিতের বাড়ির কাছে ভিড় করা এবং সেখানে আগুন দেওয়ার চেষ্টার খবর পাওয়ার পরেই ভিড় ছত্রভঙ্গ করে নিরাপত্তা বাহিনী। মধ্যরাতে সিনজেমাইতে উন্মত্ত জনতা বিজেপির পার্টি অফিস ঘেরাও করে। সেনাবাহিনী সেই ঘেরাওকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মধ্যরাতে ইম্ফল পশ্চিমে রাজ্য বিজেপির সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা (Manipur Violence) করা হয়।

এদিকে মণিপুর বিধানসভার অধ্যক্ষ থোকচম সত্যবার্তা সিং বিধায়কদের নিয়ে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র্রমন্ত্রী এর আগে হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুর সফর করেছিলেন। তার পরে গঠিত শান্তি কমিটি নিয়ে আলোকপাত করতেই এই সফর।
এদিকে মণিপুর সরকার রাজ্যের স্কুলগুলিকে ২১ জুন থেকে পুনরায় ক্লাস শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও সরকারি তরফে (Manipur Violence) সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্যজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবার ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরও পাঁচ দিন অর্থাৎ ২০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications