মণিপুরে বিজেপির হাত ছাড়ল তৃণমূল, সরকার গঠনের দাবি কংগ্রেসের, ফের কি ক্ষমতায় ফিরছেন ইবোবি
মণিপুরে বিজেপির হাত ছাড়ল তৃণমূল, সরকার গঠনের দাবি কংগ্রেসের, ফের কি ক্ষমতায় ফিরছেন ইবোবি
চিন-ভারত টানাপোড়েনের মধ্যে আবার মোদী সরকারের চাপ বাড়াচ্ছে উত্তর-পূর্বের রাজ্য মণিপুর। বিজেপি জোট সরকারের উপর সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে তিন রাজনৈতিক দলের বিধায়ক। তারপরেই রাজ্যপালের কাছে স্পিকারের অপসারণ চেয়ে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস।

মণিপুরে বিজেপি জোট সরকারে ভাঙন
উত্তরপূর্বের সব রাজ্যেই বিজেপি দখলে এনেছে। কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন সদস্য হয়নি। এনআরসি নিয়ে সবার আগে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিই বিজেপির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিল। ধীরে ধীরে বিদ্রোহ দানা বাঁধছিল। সূচণাটা করে দিল মণিপুর। বিজেপি জোট সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে চার মন্ত্রী। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চার বিধায়ক, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক টি রবীন্দ্র সিং এবং জিরিবামের নির্দল বিধায়ক সাহাবুদ্দিন।

সরকার গঠনের দাবি কংগ্রেসের
বিজেপি জোট সরকার দুর্বল আঁচ করেই মোক্ষম সময়ে কোপ ফেলেছে কংগ্রেস। সরাসরি রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে। এবং স্পিকারের অপসারণ দাবি করে বিশেষ বিধানসভা অধিবেশন ডাকার আবেদন জানিয়েছে। যাতে বিজেপি জোট সরকারের উপর অনাস্থা প্রস্তাব পাস করানো যায় তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

ইবোবির নেতৃত্বে সরকার গড়তে চায় কংগ্রেস
মণিপুর বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের ওকারাম ইবোবি সিংকেই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে চায় দল। রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লাকে দেওয়া চিঠিতে সেকথা উল্লেখও করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইবোবি মণিপুরে পর পর তিনবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন। সূত্রের খবর ইবোবিকে সমর্থন জানাবে তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্য নির্দল বিধায়কও।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ
গত কয়েক মাস ধরেই অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল মণিপুরের জোট সরকারে। মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা। এঁরা সকলেই ছিলেন এনপিপি বিধায়ক। এই বিরোধিতার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন উপ মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই জয়কুমার। অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক এস সুভাষচন্দ্র সিং, টিটি হাওকিপ এবং স্যামুয়েল জনদাই কয়েকদিন আগেই কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

দলে ভারি কংগ্রেস
বিজেপি বিধায়করা কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় দলে ভারী হয়ে উঠেছে কংগ্রেস। ২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস একক বৃহত্তম দল হলেও সরকার গঠন করতে পারেনি। কংগ্রেসের হাতে ছিল ২৮টি আসন। বিজেপির হাতে ২১টি আসন থাকলেও এনপিপি এবং তৃণমূল ও নির্দল বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছিল। সেসময় সাতজন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত?












Click it and Unblock the Notifications