'বড় মানবাধিকার সঙ্কট তৈরি হতে পারে', মোদীকে জরুরি চিঠি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর
Mizoram CM's SOS letter: মাসের পর মাস কেটে গেলেও এখনও শান্ত নয় মণিপুর! আর এর মধ্যেই একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জটিল হয়েছে পরিস্থিতি। যদিও এই অবস্থায় উপর কড়া নজর রাখছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ফোর্সকেও হাই অ্যালার্ট রাখা হয়েছে।
যদিও এর মধ্যে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ( Pm Modi) লিখেছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার পদক্ষেপ না করলে অনেক বড় মানবাধিকার সঙ্কট দেখা দিতে পারে মণিপুরে। অশান্তি থেকে বাঁচতে যাঁরা বাংলাদেশে বা মায়ানমারে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলেছেন কেন্দ্রকে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা রাজ্য সরকারের ত্রাণ কাজের জন্য কেন্দ্রের সহায়তা চেয়েছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যাতে তাঁকে সাহায্য করে সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বার্তা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে মিজোরামের বিধানসভা ভোটের কথাও জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত এই বছরের শেষে মিজোরামে ভোট রয়েছে। আর সেই ভোটে ৩৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। সে রাজ্যের আধিকারিকরা সংবাদ-পত্র প্রিন্টকে জানাচ্ছেন, এই বিষয়ে মে থেকে জুন মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে তিনটি চিঠি লিখেছেন। মিজোরাম সরকারের এক আধিকারিক প্রিন্টকে জানিয়েছেন, কেন্দ্র, যা এখনও ত্রাণ কাজের জন্য কোনো তহবিল প্রকাশ করেনি। যেহেতু ভারত রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী কনভেনশন ১৯৫১ এবং এর ১৯৬৭ প্রোটোকলের পক্ষ নয়, সেহেতু তাৎক্ষনিক সাহায্য চাওয়া উচিৎ নয় বলে জানানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে বলে দাবিওই আধিকারিকের।

অন্যদিকে মিজোরামের উপ মুখ্যমন্ত্রী দ্য প্রিন্টকে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও সাহায্য পাইনি। বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা (এনজিও), গীর্জা, রাজ্য সরকার বিভিন্ন ভাবে মানুষের জন্য ত্রাণ কার্জ চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর কথায়, এই সরকার যতদিন রয়েছে কোনও মিজোর মানুষ খালি পেটে শোবে না। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার কেন সাহায্য করছে না সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সে রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে মণিপুরের ঘটনায় মিজোরামে প্রতিবাদ মিছিল হয়। মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা এবং উপমুখ্যমন্ত্রী তানলুইয়া খোদ পথে নেমেছেন। এছাড়াও সে রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বহু মানুষ রাজধানী আইজলে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করেন। এছাড়াও সে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতেও চলে প্রতিবাদ কর্মসূচি।












Click it and Unblock the Notifications