Manipur: আরও দুই মহিলাকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ! কবে থামমে হিংসা, প্রশ্নে প্রশাসন
Manipur: মণিপুরে হিংসা শুরুর দিনে দুই কুকি মহিলাকে নগ্ন করে রাস্তায় ঘোরানোই শুধু নয়, আরও দুই যুবতীকে নির্মমভাবে জাতিগত হিংসার বলি হতে হয়েছিল। তাঁদেরকে লাঞ্ছনার পরে হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনার পর প্রায় ৮০ দিন কেটে গেলেই সেই হিংসা এখন চলছে উত্তরপূর্বের পাহাড়ি রাজ্যে।
এক মহিলার পরিবার জানিয়েছেন, গত ৪ মে ২১ ও ২৪ বছর বয়সী দুই যুবতী ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে গাড়ি ধোয়ার কাজ করছিলেন। সেই সময় তারা জনতার লক্ষ্যবস্তু হয়। প্রথমে পুরুষরা তাঁদেরকে লাঞ্চনা করেন বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ ভিড়ের মধ্যে থাকা মহিলারা পুরুষদের উৎসাহিত করছিলেন যা ওই যুবতীকে ঘরে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করেন।

আরও জানা গিয়েছে, মণিপুরের (Manipur) ওই দুই যুবতীকে ঘরে টেনে নিয়ে গিয়ে লাইট অফ করে দেওয়া হয়। চিৎকার করতে যাতে না পারে, তার জন্য কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। ঘন্টার দেড়েক পরে তাঁদেরকে বাইরে টেনে ফেলে দেওয়া হয়। সেই সময় দুই যুবতীর দেহ ছির রক্তে ভেজা। মাথার চুলও কেটে ফেলা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে দুই যুবতীয় পরিচয় জানানো না হলেও, একজনের মা ১৬ মে সাইকুল থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করেন। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, নিজের মেয়ের সঙ্গে অন্য এক মহিলাকে নির্যাতনের পরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে এই মামলা ইম্ফল পূর্ব জেলার পেরোম্পট থানায় স্থানান্তরিত করা হয়।

সেই দুটি দেহ এখনও পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। তবে মণিপুর (Manipur) পুলিশে করা অভিযোগে বলা হয়েছে, দুই যুবতীর ওপরে হামলাকারীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ২০০। এই নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি বলে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
মেইতেইদের তফশিলি উপজাতিভুক্ত করার দাবি নিয়ে ৩ মে থেকে মণিপুরে (Manipur) যে হিংসা শুরু হয়েছে, তাতে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ১৩০ এবং চর্রিশ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। ৩২ লক্ষের বসবাসকারীর ওই রাজ্যে এখন সেনা ও আধাসামরিক বাহিনী মিলিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যাটা প্রায় একলক্ষের মতো। কবে এই জাতিগত হিংসা থামবে তা কেউই বলতে পারছেন না।












Click it and Unblock the Notifications