নিজের ১৪ হাজার কোটি মূল্যের 'কালো সম্পত্তি'-র হদিশ দিয়ে বেপাত্তা গুজরাতি ব্যবসায়ী!
সারা দেশে 'ইনকাম ডিক্লেরেশন স্কিম' মেনে মোট ৬৫ হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে। তার মধ্যে একার মহেশেরও প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোটের উপরে ২০ শতাংশ। যদিও গত ২-৩ বছরে আয়করের হিসাব বলছে তার বার্ষিক আয়
আহমেদাবাদ, ৩ ডিসেম্বর : এক গুজরাতি ব্যবসায়ী কেন্দ্রের 'ইনকাম ডিক্লেরেশন স্কিম' মেনে নিজের বেনামি কালো টাকার সম্পত্তির হদিশ দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি বেপাত্তা। সবমিলিয়ে তিনি নিজের ১৩ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার বেনামি আয়ের সন্ধান দিয়ে গিয়েছেন।
১৮০০ কোটি পুরনো নোট নিয়ে কী করবে আরবিআই? জানলে অবাক হবেন
ধরা পড়লে কালো টাকার মালিকদের কী অবস্থা করবে কেন্দ্র তা জেনে নিন
গুজরাতি ওই ব্যবসায়ীর নাম মহেশ শাহ (৬৭)। তিনি আহমেদাবাদের একটি ৪ কামরার ফ্ল্যাটে থাকতেন। অটোয় করে যাতায়াত করতেন। এমনকী প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধারেও টাকা নিয়েছেন।

আয়কর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সারা দেশে 'ইনকাম ডিক্লেরেশন স্কিম' মেনে মোট ৬৫ হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে। তার মধ্যে একার মহেশেরও প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোটের উপরে ২০ শতাংশ। যদিও গত ২-৩ বছরে আয়করের হিসাব বলছে তার বার্ষিক আয় ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা।
পুরনো নোট বাতিল, এই মন্দিরে কার্ড সোয়াইপ মেশিন বসিয়ে চলছে চাঁদা নেওয়া
নোট বাতিলে ধাক্কায় একলাফে ৪৬৯ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ
ফলে এত টাকা মহেশ শাহের কাছে কোথা থেকে এল তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে তদন্তকারীরা। শাহ যেখানে কাজ করেন সেই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মেও হানা দেওয়া হয়েছে। অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জমি বিক্রি সংক্রান্ত কাজে শাহ জড়িয়েছিলেন এমনটাও মনে করা হচ্ছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিজের 'ইনকাম ডিক্লেরেশন স্কিম' অনুযায়ী আবেদন জমা করেন মহেশ শাহ। তবে পরে তা বাতিল হয়ে গিয়েছে। এদিকে শাহ-ও বেপাত্তা। ছেলে মনিতেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, তিনি মুম্বইয়ে থাকেন। তবে বাবার কাছে এত টাকা এল কী করে তিনি তা জানেন না।












Click it and Unblock the Notifications