মা ও বোনের সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্ক দাদার! এরপর সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত দাদা যা করল
সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত দক্ষিণ দিল্লির বাসিন্দা এক যুবক নিজেকে যা শাস্তি দিল তা এককথায় ভয়াবহ।
প্রতিবেশীরা দরজার বাইরেই তাকে নিয়ে ঠাট্টা-সমালোচনায় মেতেছে। বলাবলি করছে, সে নাকি নিজের মা ও বোনের সঙ্গে সহবাস করেছে। এই কথা কানে আসার পর আর নিজেকে সামলাতে পারেনি রেহান কাপাডিয়া (নাম পরিবর্তিত)। রাগে নিজের গোপনাঙ্গই কেটে বসে সে।
পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রেহানের গোপনাঙ্গ আর জোড়া দেওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ৩৫ বছর বয়সী রেহান এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। যে কথা শুনে নিজের এতবড় ক্ষতি রেহান করেছে, সেই পুরোটাই তার কল্পনা। এমন কোনও ঘটনাই তার সঙ্গে ঘটেনি। সে পুরোটা কল্পনা করে এমন মারাত্মক কান্ড করেছে। রেহান আসলে সিজোফ্রেনিক। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলেই অবাস্তত ঘটনা কল্পনা করে সে নিজের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলেছে।
সিজোফ্রেনিয়া এক ধরনের মানসিক ব্যাধি। এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে মানুষ নানা ধরনের অবাস্তব চিন্তা করে। বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অথচ সে মনে করে সমস্তকিছু ঠিক রয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রযুক্তির এগিয়ে চলা, পর্নোগ্রাফিক উপাদানের সহজলভ্যতা ও যৌনতা সম্পর্কে মানুষের মনে ভ্রান্ত ধারণা সিজোফ্রেনিয়ার মতো সমস্যায় ইন্ধন জোগায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৫ বছর ধরে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছিল রেহান। দক্ষিণ দিল্লিতে বাবা-মা ও অবিবাহিত বোনের সঙ্গে সে থাকত। পরিবারের কেউ রেহানকে কখনও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়নি। সকলে মনে করেছিল, রেহানের মানসিক সমস্যা রয়েছে। সিজোফ্রনিয়া নিয়ে তাদের কোনও ধারণা ছিল না। আর সেই অজ্ঞানতাই শেষমেশ যুবক রেহানের জীবন বিপন্ন করে তুলল।












Click it and Unblock the Notifications