২৪ এর টার্গেট ফিক্সড করে ফেললেন মমতা! মোদী সরকারকে উৎখাত করতে বড়সড় পদক্ষেপ সুপ্রিমোর
২০২৪-এ দিল্লির মসনদ থেকে মোদীকে উৎখাত করাই তাঁর মূল টার্গেট! একাধিকবার তা প্রকাশ্যে বলেছেন তিনি। আর সেই লক্ষ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের এখনও দুবছরের বেশি সময় পড়ে।
২০২৪-এ দিল্লির মসনদ থেকে মোদীকে উৎখাত করাই তাঁর মূল টার্গেট! একাধিকবার তা প্রকাশ্যে বলেছেন তিনি। আর সেই লক্ষ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের এখনও দুবছরের বেশি সময় পড়ে। আর তাই এখনও থেকেই বিরোধী জোটকে একছাতার তলাতে নিয়ে আসার কাজটা শুরু করে দিয়েছেন তিনি। আর সেই লক্ষ্যেই দিল্লি সফর করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

তাঁর এই সফর সফল বলেই দাবি। দিল্লি থেকে ফেরার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের দাবি, যে উদ্দেশ্যে নিয়ে দিল্লি সফর তা সফল হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২১ এর মঞ্চ থেকেই সমস্ত অবিজেপি দলগুলিকে আহ্বান করেছিলেন সুপ্রিমো। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ছিল, অসুখ সেরে গেলে ডাক্তার ডেকে কোনও লাভ হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। যা বিরোধী জোটকে এক ছাতার তলাতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় আধ ঘন্টার বৈঠক সফল হয়েছে বলেই দাবি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে আলোচনা আর প্রয়োজন। আর সেই কারণে দিল্লি থেকে ফেরার আগে মমতার হুঁশিয়ারি, ''এবার থেকে দু'মাস অন্তর দিল্লি আসব''। অর্থাৎ তাঁর কথায় পরিষ্কার যে বিরোধী শিবিরগুলিকে একজোট করতে যদি তাঁকে বারবার দিল্লি আসতে হয়, তার জন্য প্রস্তুত তিনি।
শুধু তাই নয়, বিরোধী জোটকে একজোট করতে বার্তা, ''দেশের গণতন্ত্র বাঁচাতে বিরোধীদের এক জোট হতে হবে।''
তবে তাঁর এই দিল্লি সফরে শরদ পাওয়ারের সঙে সাক্ষাৎ না হওয়া নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাহলে কি শরদ পাওয়ার সরে যাচ্ছেন? এই বিষয়টি সামনে আসতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, ''শরদজির সঙ্গে আমার সশরীরে দেখা না হলেও ওঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে।''অর্থাৎ খুব শীঘ্রই কি ফের একবার দিল্লি আসতে চলেছেন তিনি?
তবে দিল্লি ছাড়ার আগে ফের একবার মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, পেট্রোল সহ একাধিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু তাই নয়, গ্যাসের দামও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ এরপর খাবে কি? শুধু তাই নয়, দেশে বেকারত্বের হার বাড়ছে। কর্মসংস্থান নেই । এই বিষয়ে মোদী সরকারের কোনও নজর নেই বলেও তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে বেশিদিন এভাবে চলবে না!
মমতার সাফ বক্তব্য, ''দেশের উন্নয়ন চাই, মানুষের উন্নয়ন চাই।''












Click it and Unblock the Notifications