'তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে', নিয়োগ নিয়ে বড় নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
নিয়োগ নিয়ে একের পর বিতর্ক! একাধিক নিয়োগ মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও। আর এর মধ্যে পুলিশে নিয়োগ নিয়েও একাধিক জটিলতা।
আটকে রয়েছে গোটা প্রক্রিয়া। আর এর মধ্যেই বড় নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আজ বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে বৈঠকে বসেন তিনি। একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আর সেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রশাসনিক প্রধানের।

পাশাপাশি নিয়োগ নিয়ে কার্যত ঢিলেঢালা মনোভাব নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি। বলেন, হাজার হাজার নিয়োগের জন্যে পড়ে রয়েছে। ক্যাজুয়ালনেস চলে এসেছে বলেও মন্তব্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় এক্ষেত্রে নিয়োগকারীদের কিছু যায় আসে না। কিন্তু চাকরি জন্যে যারা পরীক্ষা দেন তাঁরা চাকরটি হবে বলে আশায় থাকেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
আর এরপরেই দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ দেন তিনি। এজন্যে তিন মাসের সময় বেঁধে দেন। আর এর মধ্যেই নিয়োগ শেষ করতে হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলে রাখা প্রয়োজন, জানুয়ারি মাসে পুলিশের নিয়োগের পরীক্ষায় সমস্ত রেজাল্ট বের করার দাবিতে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। যা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয় কলকাতায়। চাকরি প্রার্থীদের দাবি ছিল যে, পুলিশ রিক্রুটমেন্ট সমস্ত নিয়োগ আটকে রেখেছে।

কেন ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন নির্দেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাড়পত্র দেওয়ার পরেও কেন নিয়োগ হচ্ছে না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিভিন্ন দফতরে একাধিক শূন্যপদ রয়েছে। এমনকি শিক্ষক নিয়োগও অনেক জায়গাতে আইনি জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও আটকে রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে নিয়োগ কেন হচ্ছে না তা নিয়ে কিছুটা মন্ত্রিসভার বৈঠকে উষ্মা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যওপাধ্যায়। এদিন নবান্ন সভাঘরে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

অন্যদিকে ডিপ্লোমা কোর্সের মাধ্যমে চিকিৎসক তৈরি করা যায় কিনা তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি বিষয়টি ভেবে দেখার জন্যেও বলেন তিনি। যা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশের মতে, বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। যার মাধ্যমে যেতে হয়। এহেন সিদ্ধান্ত বিপদ ঘটাতে পারে বলে দাবি চিকিৎসকদের।












Click it and Unblock the Notifications