উদ্ধবের শপথে থাকছেন না মমতা, সনিয়া, রাহুল! থাকবেন তাঁদের প্রতিনিধি
মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে উদ্ধর ঠাকরের শপথ গ্রহণের জমকালো অনুষ্ঠান। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী।
মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে উদ্ধর ঠাকরের শপথ গ্রহণের জমকালো অনুষ্ঠান। বিরোধী নেতারাতো যাচ্ছেনই, উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। যদিও এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী।

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে সনিয়া গান্ধীর কাছে গিয়ে তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন উদ্ধব পুত্র আদিত্য। এদিন সন্ধে ৬.৪০ নাগাদ শপথ নেবেন উদ্ধব ঠাকরে।
বুধবার মহারাষ্ট্রে দফতর বন্টন নিয়ে কথা বলেন, কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেল এবং মল্লিকার্জুন খার্গে। ঠিক হয়েছে, মন্ত্রিসভায় এনসিপির একজন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকবেন। আর স্পিকার করা হবে কংগ্রেস থেকে। জানা গিয়েছে,এদিন উদ্ধর ঠাকরে ছাড়াও তিন দলের থেকে ২ জন করে মন্ত্রী শপথ নেবেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শপথ নেবেন বালাসাহেব থোরাট এবং অশোক চবন। এনসিপির তরফে শপথ নেবেন জয়ন্ত পাতিল এবং ছগন ভুজবল। অন্যদিকে, শিবসেনার তরফে শপথ নেবেন সুভাষ দেশাই এবং একনাথ শিন্ডে।
অক্টোবরের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও শিবসেনা একসঙ্গে লড়াই করেছিল। কিন্তু ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। শিবসেনার তরফে দাবি করা হয়, বিজেপির সঙ্গে তাদের কথা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী পদের ভাগাভাগি নিয়ে। যদিও বিজেপির তরফ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। এরই মধ্যে মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়।
শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে সরকার তৈরির কথা ঘোষণা করে। আর উদ্ধব ঠাকরেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করার পরেই দন, ২৩ নভেম্বর ভোরে এনসিপি ভাঙিয়ে অজিত পাওয়ারকে উপমুখ্যমন্ত্রী করে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানায় শিবসেনা, কংগ্রেস, এনসিপি। ৭২ ঘন্টার মধ্যে সরকারের পতন হয়। অজিত পাওয়ার ইস্তফা দিয়ে ফিরে যান এনসিপিতে।












Click it and Unblock the Notifications