গোয়ার হারের পরে সাবধানী তৃণমূল! ২০২৪-এর লক্ষ্যে স্ট্র্যাটেজিতে 'বদল' মমতা ও কেজরিওয়াল শিবিরের
গোয়া (Goa) ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে (Trinamool Congress)। তাই ২০২৪-এর লক্ষ্যে স্ট্র্যাটেজিতে বদল ঘাসফুল শিবিরের। কেননা পঞ্জাব জয়ের পরেই আপও (aap) ইতিমধ্যেই তাদের স্ট্র্যাটেজিতে বদল এ
গোয়া (Goa) ব্যাপক প্রচার সত্ত্বেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে (Trinamool Congress)। তাই ২০২৪-এর লক্ষ্যে স্ট্র্যাটেজিতে বদল ঘাসফুল শিবিরের। কেননা পঞ্জাব জয়ের পরেই আপও (aap) ইতিমধ্যেই তাদের স্ট্র্যাটেজিতে বদল এনেছে। তাই তৃণমূল জানিয়েছে, ২০২৪-এর লক্ষ্যে জাতীয় আকাঙ্খা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সম মনোভাবাপন্ন দলগুলিকে একত্রিত করতে চান।

কংগ্রেস ছাড়া জাতীয় জোট সম্ভব নয়
সিপিএম-এর তরফে বৃহত্তর ধর্মনিরপেক্ষ এ গণতান্ত্রিক জোটের কথা বলা হয়েছে। কংগ্রেস ছাড়া যে সেই জোট সম্ভব নয়, তা তারা জানে। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া পার্টি কংগ্রেসে সিপিএম-এর তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে। তামিলনাড়ুতে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট সরকার চালাচ্ছেন। সিপিএমের মঞ্চ থেকে তিনি বাম-কংগ্রেসকে নিয়ে দক্ষিণ ভারতে অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের জোট গড়ার ডাক দিয়েছেন। ফলে এমকে স্ট্যালিনকে নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতার বিজেপি বিরোধী জোটের প্রস্তাব দিয়ে যে আলোচনায় বসার আহ্বান করেছিলেন, তাতে এখনও কোনও সারা মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে।

২০২৪-এর লক্ষ্যে আপের স্ট্র্যাটেজি
দিল্লিতে ক্ষমতায় থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল আপ। এবার পঞ্জাব দখলে সাফল্য এসেছে। দিল্লিতে বিজয় সমাবেশে আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, প্রথমে দিল্লিতে জয় এসেছে। এরপর তা এসেছে পঞ্জাবে। এবার তা সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়বে। তবে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর কিংবা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এনডিএ ও কংগ্রেস বিহীন দলগুলিকে নিয়ে জোটের আহ্বান সম্পর্কে তিনি কিছুই বলেননি। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে গ্রামীণ উন্নয়নে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্য জুড়ে আপ সরব হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে।

২০২৪-এর লক্ষ্যে তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি
অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসকে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছেন। কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই তিনি বিরোধী জোটের ডাক দিয়েছেন। কটাক্ষ করে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, কংগ্রেসের ওপরে নির্ভর করলে কোনও কাজই হবে না। কেননা কংগ্রেস ক্ষমতা হারাচ্ছে। তাই সবকটি আঞ্চলিক দলকে এগিয়ে এসে কাজ করতে হবে, বলেছেন তিনি।

সতর্ক তৃণমূল
গোয়ায় ব্যাপক প্রচার করেও তৃণমূল মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। কোনও আসন ঘাসফুলের ঝুলিতে আসেনি। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আপ গোয়ায় কিছুটা সাফল্য পেয়েছে। দুটি আসনে জয় পেয়েছে তারা। সঙ্গে পঞ্জাব দখল করেছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন কেজরিওয়াল এবার জাতীয় পর্যায়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের বিকল্প হিসেবে আপকে তুলে ধরতে পারেন। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সতর্ক তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, জাতীয় পর্যায়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও আকাঙ্খা নেই। তিনি সম মনোভাবাপন্ন দলগুলিকে একসঙ্গে করতে চান। তিনি আরও বলেছেন, এখন দেখতে হবে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে যোগ দেন কিনা।












Click it and Unblock the Notifications