'জয় বাংলা'-র পর 'জয় হিন্দুস্তান', স্লোগানেও ২০২৪-র টার্গেট তৈরি করে ফেলেছেন মমতা
'জয় বাংলা'-র পর 'জয় হিন্দুস্তান', স্লোগানেও ২০২৪-র টার্গেট তৈরি করে ফেলেছেন মমতা
জয় বাংলা স্লোগান তুলে বিধানসভা ভোটের আগে বাংলার নিজস্বতার প্রমাণ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে একের পর এক কংগ্রেস নেতার যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। হরিয়ানার কংগ্রেস নেতা অশোক তনওয়ার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী স্লোগান দেন জয় হিন্দুস্তান, জয় হরিয়ানা, জয় গোয়া, জয় বাংলা। এতদিন পর্যন্ত স্লোগানের তালিকায় কেবল ছিল জয় বাংলা। ধীরে ধীরে স্লোগানকেও জাতীয় স্তরে নিয়ে যাচ্ছেন িতনি।

ৃতৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পা রাখার আগে থেকেই যোগদানের জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। কারা কারা যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে এই নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। তালিকায় বরুণ গান্ধীর নামও উঠে এসেছিল। যদিও বরুণ গান্ধী যোগ দেননি তৃণমূল কংগ্রেসে। তবে একাধিক কংগ্রেস নেতা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। কীর্তি আজাদ, অশোক তনওয়ার মত হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতা যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এছাড়া জেডিইউ সাংসদ পবন ভর্মাও যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

বিহার-হরিয়ানায় খাতা খুলবে তৃণমূল
দিল্লিতে জেডিইউ প্রাক্তন সাংসদ পবন ভর্মা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এই প্রথম কোনও জেডিইউ নেতা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তার থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে বিহারে এবার নীতীশ কুমারের ঘড়ে শ্বাস ফেলতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ জেডিউই-র জনপ্রিয়তা তলানিতে এসে ঠেকেছে বিহারে। বিেজপির জোরে সরকার গঠন করেছেন নীতীশ কুমার। কাজেই পবন ভর্মার হাত ধরে বিহারে সংগঠনের সূচনা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে হরিয়ানার কংগ্রেস সাংসদ অশোক অনওয়ার যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। বাজপেয়ী ঘনিষ্ঠ ছিলেন অশোক তনওয়ার। তাঁর এই বিজেপিতে যোগদান বড় রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

স্লোগানে জাতীয় স্তরের বার্তা
অশোক তনওয়ারের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন এবার হরিয়ানাতেও যাবেন তিনি। তারপরেই তিনি স্লোগান দেন, জয় হিন্দুস্তান, জয় হরিয়ানা, জয় গোয়া, জয় বাংলা। এতদিন কেবল জয় বাংলা স্লোগানই শোনা যেত তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর গলায়। এবার জয় বাংলা স্লোগানের সঙ্গে জায়গা করে নিয়েছে জয় হিন্দুস্তান স্লোগান। যে যে রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস স্লোগানে সেই সব রাজ্যও জায়গা করে নিয়েছে। জাতীয় স্তরের ভাবনা চিন্তা েয সংগঠনগুলি শুরু করে দিয়েছে তা এই স্লোগানেই মাধ্যমেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।

২০২৪ টার্গেট
বাংলা জয়ের পরেই তৃণমূল কংগ্রেস টার্গেট করে ফেেলছে অন্যান্য রাজ্যে সংগঠন বিস্তারের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মোদীর মোকাবিলায় বসিয়ে ২০২৪-র লোকসভা ভোটকে টার্গেট করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর সব পরিকল্পনা করেই ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে। আর বিরোধী ঐক্য নয়। কংগ্রেসের হাত না ধরেই একা লড়াইয়ের পথে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরায় ২৫ তারিখ পুরসভা ভোটে এক প্রকার অ্যাসিড টেস্ট হবে তৃণমূল কংগ্রেসের। গত কয়েকদিন ধরে ত্রিপুরা উত্তাল হয়ে রয়েছে। গোয়াতেও ইতিমধ্যেই সংগঠন বিস্তার করতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানেও কংগ্রেসে ভাঙন ধরেছে।












Click it and Unblock the Notifications