মায়ার বার্তায় বাড়ল শক্তি! সোনিয়া-মমতা বৈঠকে কি খুলতে পারল জোটের জট
রাজধানীতে মোদী-বিরোধী জোট-তৎপরতা তুঙ্গে। আর সেই জোটের মধ্যমণি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজধানীতে মোদী-বিরোধী জোট-তৎপরতা তুঙ্গে। আর সেই জোটের মধ্যমণি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে দিল্লিতে যখন সমস্ত দলই আবর্তিত হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্র করে, তখন বিশেষ নজর ছিল ১০ জনপথে সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকের দিকে। কিন্তু সেই বৈঠক কি খুলতে পারল জোটের জট?

সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির তিন বিদ্রোহী নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরই ফাঁকে বিএসপি নেত্রী মায়াবতীর বার্তাও পেয়েছেন। তিনিও মমতার পাশে থাকার বার্তা দিয়ে টুইট করেছেন। কিন্তু মমতার জোটে কংগ্রেস থাকবে কি না কিংবা সেই জোটের নেতা কে হবেন, তা নিয়েই যখন জটিলতা, সেই জটিলতা খোলার লক্ষণ নেই।
বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসকেও দরকার এই জোটে। সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেও তিনি এই বার্তা দিয়েছেন। অনেক বাধ্য বাধকতা রয়েছে, তবু কংগ্রেসকে জোটে দরকার। কারণ একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী না হলে বিজেপিকে হারানো যাবে না।
সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক সেই বার্তাই দেন মমতা। কর্ণাটকে কংগ্রেস জয় চান মমতা। সেইসঙ্গে বলেন খুব ভালো হত যদি বিজেপি বিরোধী জোট এ রাজ্যেও এক হত। কিন্তু ২০১৯-এ এক হতে হবে, না হলে বিজেপির অপশাসন থেকে দেশের মুক্তি ঘটানো যাবে না। অসুস্থ অবস্থাতে সোনিয়া গান্ধী মন দিয়ে শোনেন মমতার কথা। মমতা সেই সঙ্গে বলেন, 'আমি দিল্লিতে এলেই সোনিয়া গা্ন্ধীর সঙ্গে দেখা করে যাই। তাঁর সঙ্গে আমার রাজনীতির বাইরেও সম্পর্ক রয়েছে।'
মোট কথা, এদিনই বৈঠক থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেল না বিজেপি বিরোধী জোট নিয়ে। ফেডেরাল ফ্রন্ট নাকি ইউপিএ থ্রি- তা নিয়ে রয়ে গেল প্রশ্ন। তবে বিজেপি বিরোধী জোটের রূপরেখা তৈরি হয়ে গেল। এবার তা চূড়ান্ত অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে। তবেই ২০১৯-এর লক্ষ্যে পৌছনো সফল হবে জোটের।












Click it and Unblock the Notifications