ফের সোনিয়ার ডাকে দিল্লি যাবেন মমতা, ঐক্য তৈরি করে কেন্দ্রকে বার্তা দিচ্ছে বিরোধী শিবির
ফের সোনিয়ার ডাকে দিল্লি যাবেন মমতা, ঐক্য তৈরি করে কেন্দ্রকে বার্তা দিচ্ছে বিরোধী শিবির
বিরোধীদের একজোট করতে এবার উদ্যোগ কংগ্রেস (congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর (sonia gandji)। আগামী ২০ অগাস্ট তিনি এক ভার্চুয়াল সভার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সেই বৈঠকে ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন, শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি দিন কয়েকের মধ্যে দিল্লিতেও বিরোধী নেতাদের নিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তার আগে ভার্চুয়াল বৈঠক দিয়েই তিনি শুরু করতে চান।

সোনির বৈঠক সফল করতে উদ্যোগ সিপিএম নেতার
দিল্লিতে বিরোধী নেতাদের নৈশভোজের দিন এবং তার বিষয় এখনও ঠিক হয়নি। জানা গিয়েছে, মোটামুটি নেতারা দিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, এমন তারিখই ঠিক করা হবে বৈঠকের জন্য। সূত্রের খবর অনুযায়ী সিপিএম-এর এক বর্ষীয়ান নেতা পিছন থেকে কাজ করছেন এবং সোনিয়ার বৈঠককে সফল করে তুলতে চাইছেন।
বুধবার লোকসভার অধিবেশন দুদিন আগে শেষ ঘোষণা হতেই বিরোধীরা তাদের পরবর্তী কর্মপন্থা স্থির করতে নেমে পড়েছেন।

কপিল সিবালের বাড়িতে বৈঠকের পরে বাড়তি তৎপরতা
এক আগে সোমবার রাতে কংগ্রেস নেতা কপিল সিবালের বাড়িতে বিরোধী নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে কংগ্রেসে পরিবর্তন চাওয়া ২৩ নেতার মধ্যে ২০ জন নেতা। বিরোধী দলগুলির মধ্যে অনেকেই সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন। তবে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী এই বৈঠককে ভাল চোখে দেখেননি বলেই সূত্রের খবর। তারই দিন তিনকের মধ্যে সোনিয়া গান্ধীর বৈঠকের ডাক যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাস্তায় রাহুল গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ
বুধবার লোকসভার অধিবেশন দুদিন আগেই শেষ করে দেওয়ার প্রতিবাদ করেছিল বিভিন্ন বিরোধীদল। পাশাপাশি হইহট্টগোলের জেরে একাধিক সাংসদকে সাসপেন্ড করে দেওয়ার সমালোচনাও করেছিল তারা। তাদের অভিযোগ সরকার সংসদে মার্শাল আইন চালাচ্ছে। আৎ এদিন সকালে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করলেন সংসদে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে কেন্দ্র। বিরোধীদের আলোচনার জন্য সুযোগ দেওয়া হয়নি। পেগাসাসের পাশাপাশি কৃষি আইন এবং কৃষকদের সমস্যা নিয়েও আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিরোধীদের তৎপরতাতেও ফাঁক
এদিন বেশিরভাগ বিরোধীদলকে একসঙ্গে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে। সংসদ থেকে বিজয়চকের দিকে যান সাংসদরা। তবে এদিন এই কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেসকে। যা নিয়ে অবশ্য বিরোধী শিবিরে প্রশ্ন উঠেছে। বারে বারে রাহুলের থাকা কর্মসূচি তৃণমূল এড়িয়ে যাচ্ছে কিংবা যেসব নেতাদের গুরুত্ব কম তাঁদের পাঠাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications