মমতার নির্দেশে যোগী রাজ্যের লখিমপুর খেরি যাচ্ছেন ৫ তৃণমূল সাংসদ, ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দা
উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষক আন্দোলনের সময় হিংসা ঘটনায় আটজনের মৃত্যু। যার জেরে ফের উত্তাল দেশের রাজনীতি। এই হিংসার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সোমবার সেখানে তৃণমূলের (Trinamool Cong
উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষক আন্দোলনের সময় হিংসা ঘটনায় আটজনের মৃত্যু। যার জেরে ফের উত্তাল দেশের রাজনীতি। এই হিংসার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সোমবার সেখানে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ৫ সাংসদের দল পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার লখিমপুর খেরি যাচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এবং অখিলেশ যাদব। লখিমপুর খেরির ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে ঘটনার পিছনে যারাই থাকুক না কেন, সবাইকে শাস্তি দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিীত্যনাথ।

উপমুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়ে বিক্ষোভ
সূত্রের খবর অনুযায়ী এদিন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যের সফরকে ঘিরেই কৃষকদের বিক্ষোভ। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয়কুমার মিশ্রের গ্রাম বনবীরপুরে যাওয়ার কথা ছিল উপমুখ্যমন্ত্রীর। যদিও এই বিক্ষোভের জেরে উপ মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সফর বাতিল করেন। গুরুত্ব বিচার করে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উত্তর প্রদেশ পুলিশের এডিজি আইনশৃঙ্খলা প্রশান্ত কুমার-সহ অন্য পুলিশ আধিকারিকরা। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে লখিমপুর খেরি জেলার সদর থেকে ৭০ কিমি দূরে তিকোনিয়ায়। এই এলাকাটি ভারত-নেপাল সীমান্তে অবস্থিত।

হিংসায় মৃত ৮
বিক্ষোভকারীদের ধাক্কা মারা পরেই সেই বিক্ষোভ থেকে দুটি এসইউভিতে আগুন লাগানো হয়। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে চারজন এই দুটি গাড়িতে ছিলেন। আর দুজন বিক্ষোভরত কৃষক। ক্ষুব্ধ কৃষকরা দুটি গাড়িকে থামিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। গাড়িতে থাকা যাত্রীদের ব্যাপক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পরে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আট হয়েছে। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুটি এসইউভিতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ছিলেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আন্দোলনরত কৃষকদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয়কুমার মিশ্রের ছেলে এই ঘটনার জন্য দায়ী। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তাঁর ছেলে ওই জায়গায় ছিলেন না। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল কৃষকরা যখন ফিরছিলেন, তখনই হামলা করা হয়। তাঁদের ওপরে গুলি চালানো হয়। এই ঘটনার অনেকের মৃত্যু হয়েছে, বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

লখিমপুর খেরির ঘটনার তীব্র নিন্দা মমতার
এদিন নিজের জয় ছাড়াও বাকি দুই কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ের মধ্যেই আসে উত্তর প্রদেশের লখিমপুরের হিংসার ঘটনা খবর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। কৃষকদের প্রতি অবজ্ঞা এবং এদিনের ঘটনায় বিজেপিকেই দায়ী করেন তিনি। সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, সোমবার তৃণমূলের ৫ জন সাংসদ মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, কৃষকদের পিছনে তাদের সমর্থন রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications