মোদীর নেতৃত্বে নীতি আয়োগের বৈঠক! যোগ না দিয়ে কি গুরুত্ব হারালেন মমতা
নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আজই প্রথম বসেছিল নীতি আয়োগের বৈঠক।
নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আজই প্রথম বসেছিল নীতি আয়োগের বৈঠক। সেই বৈঠকে যে অংশ নেবেন না সেকথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের আগে থেকেই যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে প্রায় মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে গিয়েছে দুই প্রধানের। এই নিয়ে চরমে কেন্দ্র রাজ্য সংঘাত।

একদিকে যখন রাজ্যে চিকিৎসক আন্দোলনে তোলপাড় চলছে ঠিক তখনও রাজ্যের উপর কোপ বসাল কেন্দ্র। নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ না দেওয়াকে বেকার সিদ্ধান্ত বলেই মনে করে বিজেপি। কারণ রাজ্য গুলিকে আর্থিক সাহায্য অনুমোদনের ক্ষমতা নীতি আয়োগের নেই। তাই মমতা অকারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছে দিল্লি। মমতার এই সিদ্ধান্তে রাজ্যের সংকট আরও বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। প্রশাসনিক সংকটের পাশাপাশি রাজ্যে আর্থিক সংকটও তৈরি হবে। চরম অবস্থার মধ্যে পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ।
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র রাজ্য যৌথ উদ্যোগে চলা প্রকল্প গুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। একাধিক প্রকল্প থমকে রাজ্যে। রাজ্যের উন্নয়ন থমকে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ নীতি আয়োগের বৈঠকে রাজ্য গুলির পরিকাঠামো গত সুবিধা অসুবিধার তথ্য আলোচনা হয়। কোন প্রকল্পে কতটা কাজ হয়েছে এবং কোন প্রকল্পে জোর দেওয়া উচিত এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়ে থাকে। মমতা এই বৈঠকে না গিয়ে রাজ্যেরই ক্ষতি করছেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
পশ্চিমবঙ্গের উপর যখন কোপ পড়ছে, ঠিক অন্যদিকে অন্ধ্র প্রদেশের প্রতি উদার নীতি নিয়েছে মোদী সরকার। জগনমোহন আগেই জানিয়েছিলেন তিনি নীতি আয়োগের বৈঠকে অন্ধ্রের বিশেষ মর্যাদার দাবিতে অনড় থাকবেন। এতোদিন এই দাবি জানিয়ে আসছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। সেই নিয়েই প্রথম মোদী সরকারের সঙ্গে বিবাদ চরমে উঠেছিল চন্দ্রবাবু নাইডুর। জগনমোহনও এবার সেই পথে হাঁটছেন। মনে করা হচ্ছে জগনের প্রতি মোদী একটু বেশিই সদয়। সেকারণেই জগনের দল থেকে ডেপুটি স্পিকার করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। জগনের দাবি মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications