কংগ্রেসে এক নেতা এক পদ নীতি! রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা মল্লিকার্জুনের
কংগ্রেসে এক নেতা এক পদ নীতি! রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা মল্লিকার্জুনের
অশোক গেহলটকে নিয়ে টানাপোড়েনের পর কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও। এক্ষেত্রেও এক ব্যক্তি এক পদ নীতি বহাল রাখল কংগ্রেস। সেই মোতাবেক রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়লেন মল্লিকার্জুন। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ ছেড়ে তিনি এবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের লড়াইয়ে।

গেহলট কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন থেকে ছিটকে যাওয়ার পরই
এক নেতা এক পদ নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে কংগ্রেস অশোক গেহলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা বলেছিল। তারপর অনেক নাটক হয়ে গিয়েছে। অশোক গেহলট মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে উদ্যোগী হলেও শচীন পাইলটকে আটকাতে যে সমস্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা কংগ্রেসের অন্দরের কোন্দলকে ফের প্রকট করে দিয়েছে। শেষে অশোক গেহলট কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছেন।

এক নেতা এক পদ নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে মনোনয়ন
অশোক গেহলট লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়ার পর কংগ্রেসের অফিসিয়াল ক্যান্ডিডেট হিসেবে উঠে এসেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি ইতিমধ্যে মনোনয়ন দাখিলও করেছেন। তারপরই তিনি এক নেতা এক পদ নীতি অক্ষুণ্ণ রেখে কংগ্রেস সভানেত্রীকে চিঠি লিখলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দিকে। এখন বিরোধী দলনেতা পদে তাঁর স্থলাভিষিক্ত কে হন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে নতুন করে।

পি চিদম্বরম বনাম দিগ্বিজয় সিং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদে
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা পি চিদম্বরম এবং দিগ্বিজয় সিং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদের দৌড়ে রয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন খাড়গে। তারপর দিগ্বিজয় সিং সভাপতি পদের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান। এমনকী দিগ্বিজয়ই ছিলেন খাড়গের প্রস্তাবক। অন্যদিকে কংগ্রেস সভাপতি পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন শশী থারুরও।

কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে মল্লিকার্জুনের সঙ্গে লড়াই শশী থারুরের
এবার কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে মল্লিকার্জুনের সঙ্গে লড়াই শশী থারুরের। ১৭ অক্টোবর সেই লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কংগ্রেসের ব্যাটন কার হাতে উঠবে। শনিবার রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে মল্লিকার্জুন খাড়গের ইস্তফা ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। হাইকম্যান্ডের ইচ্ছামতো সবকিছু হচ্ছে বলে মনে করছেন একাংশ।

নির্বাচনটিকে আক্ষরিক অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রূপ দিক কংগ্রেস
এদিকে শশী থারুর বারবার দাবি করেছেন, সোনিয়া গান্ধী তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে খুশি। এমনকী কংগ্রেসের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী ভোট প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষ থাকবেন বলেও দাবি করেছেন থারুর। এবার গান্ধীরা কেউ প্রার্থী হচ্ছেন না কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে। অর্থাৎ নতুন শতাব্দীতে প্রথম অ-গান্ধী সভাপতি পেতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু কংগ্রেস কি পারবে অ-গান্ধী এই সভাপতি নির্বাচনে গণতন্ত্রের ধারক হয়ে উঠতে? উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যখন প্রার্থী হচ্ছেন না কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে, তখন তাঁদের কাছে কী আশা করছে দেশের রাজনৈতিক মহল? রাজনৈতিক মহল তাঁদের কাছে আশা করছে, একটি সর্বজনীন ঘোষণা যে, তাঁরা কারও জন্য লবি করবে না। কাউকে নিজেদের প্রার্থী বলে জাহির করবে না। নির্বাচনটিকে আক্ষরিক অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক রূপ দেবে।












Click it and Unblock the Notifications