টাকার বিনিময়ে প্রশ্নের অভিযোগ! বিজেপি সাংসদ-সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা মহুয়া মৈত্রের
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে ক্যাশ ফর কোয়ারির অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। একই অভিযোগ তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাই। এই দুজনকেই আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের চিঠির কথা উল্লেখ করেছিলেন। যেখানে ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল।

বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ও কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। হিরানন্দানি গোষ্ঠী বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের করা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, এটি কোনও ভাবেই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নয়।
মহুয়া মৈত্র সোমবার এব্যাপারে নোটিশ পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, লোকসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য কোনও সুবিধা গ্রহণ করেছেন, এমন অভিযোগ মানহানিকর, মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। তিনি নিশিকান্ত দুবে এবং জয় অনন্ত দেহাদরাইকে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, মহুয়া মৈত্র এবং নিশিকান্ত দুবে, অতীতে সংসদে একাধিকবার মত পার্থক্যে লিপ্ত হয়েছেন। এছাড়াও নিশিকান্ত দুবে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে একটি বিশেষাধিকার নোটিশ সমর্থন করেছিলেন এবং সংসদে তাঁর সদস্যপদ বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
নোটিসে বলা হয়েছে, ২০২৩-এর মার্চে তাদের ক্লায়েন্ট মহুয়া মৈত্র নিশিকান্ত দুবের দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং নির্বাচনী মনোনয়নপত্রে দেওয়া তথ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাই মহুয়া মৈত্রকে বিদ্বেষপূর্ণ ও অশ্লীল বার্তা দিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারি বাসভবনে অনুপ্রবেশ করেছিলেন এবং কিছু ব্যক্তিগত সম্পত্তি চুরি করেছিলেন। এনিয়ে জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের বিরুদ্ধে ২০২৩-এর ২৫ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর দুটি আলাদা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।
অন্যদিকে মহুয়া মৈত্র লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে দেওয়া চিঠিতে নিশিকান্ত দুবেকে তাঁর বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বলেছেন। এছাড়া নিশিকান্ত দুবে এবং জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের কাছ থেকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি তুলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications