Mahua Moitra: মধ্যস্থতার চেষ্টা করছেন! মানহানির মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী
Mahua Moitra: শুক্রবার আদালতে নাটকীয় 'কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট' দাবির পরে সংসদে প্রশ্ন করার জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী তাঁর দায়ের করা মানহানির মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩১ অক্টোবর।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাই দিল্লি হাইকোর্টকে বলেছিলেন, তৃণমূল নেত্রীর পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য তাঁর কাছে গিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত এই জয় অনন্ত দেহাদরাই বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে মহুয়া মৈত্র সংক্রান্ত প্রমাণ সরবরাহ করেছিলেন।

জয় অনন্ত দেহাদরাই বলেছেন, প্রবীন আইনজীবী গতকাল তাঁকে ডেকেছিলেন এবং কুকুরটিতে ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই অভিযোগ প্রত্যাহারে করতে অনুরোধ করেছিলেন। প্রসঙ্গত মহুয়া মৈত্র এবং জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের মধ্যে তাঁদের পোষা রটওয়েলার হেনরিকে নিয়ে লড়াই চলছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, গত ছয় মাসে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ, চুরি, অশ্লীল বার্তা এবং অপব্যবহারের জন্য একাধিক অভিযোগ পুলিশের কাছে দায়ের করেছেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাই তাঁর অবস্থান বিচারপতির কাছে ব্যক্ত করেন। সেই সময় বিচারপতি শচীন দত্ত বলেন, তিনি আতঙ্কিত। তিনি মহুয়া মৈত্রের আইনজীবীকে জিজ্ঞাসা করেন, আসামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কিনা। উত্তরে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন বলেন, তিনি তাঁর মক্কেলের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জয় অনন্ত দেহাদরাইকে চেনেন। তাঁকে ( গোপাল শঙ্করনারায়ণন) জয় অনন্ত দেহাদরাইয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতে দিন।
সেই সময় বিচারপতি আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণনকে বলেন, এটা তাঁর কল। তিনি যদি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেন, তাহলে তিনি কীভাবে এই মামলায় বাদীর আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন, প্রশ্ন করেন বিচারপতি। তারপরেই বিচারপতি এই মামলায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন ৩১ অক্টোবর।
এদিকে আদালতের শুনানির পরে, মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি করা বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ২০০৫ সালের টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন কেলেঙ্কারির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, তৃণমূল সাংদের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে স্বীকার করেছেন, যেভাবে তৃণমূল সাংসদ দুর্নীতির হুইসেলব্লোয়ারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তা একরকমের প্রতারণা। এব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
প্রসঙ্গত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে ক্যাশ ফর কোয়ারির অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। একই অভিযোগ তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদরাই। এই দুজনকেই আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তৃণমূল সংসাদ। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়।












Click it and Unblock the Notifications