ভারতীয় মিডিয়া সত্যিই বিরল প্রজাতি, আদানি ইস্যুতে শরদের দাবিতে প্রতিক্রিয়া মহুয়ার
আদানি ইস্যুতে শরদ পাওয়ারের যে দাবি করেছেন সাম্র্বতিক সাক্ষাৎকারে, তা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। শরদ পাওয়ারের আদানিতে সমর্থন নিয়ে তিনি ভারতীয় মিডিয়াকেও একহাত নিলেন। মহুয়া মৈত্র বলেন, ভারতী মিডিয়া সত্যিই বিরল প্রজাতির।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শরদ পাওয়ার মার্কিন শর্ট সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের একটি রিপোর্টের উপর আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে সংসদীয় তদন্ত দাবি নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা করেছেন। এই মর্মে মহুয়া মৈত্র বলেন, আদানির মালিকানাধীন চ্যানেল আদানির বন্ধুদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। আর তাঁরা আমদের জানাচ্ছেন কীভাবে তাঁকে টার্গেট করতে হবে।

এরপর মহুয়া মৈত্র বলেন, ভারতীয় মিডিয়া দীর্ঘজীবী হোক। সত্যিই ভারতীয় মিডিয়া একটি বিরল প্রজাতি। মহুয়া মৈত্র এদিন ওই মিডিয়া রিপোর্টের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে টুইট করেছেন। এই প্রতিবেদনে পাওয়ারকে উদ্ধৃত করে লেখা হয়েছে যার দল মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস এবং উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার সঙ্গে জোটবদ্ধ।
আদানির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিতে সরকারকে বাধ্য করার জন্য বিরোধীদের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি। আদানির বিরুদ্ধে জেপিসি দাবি যে সমীচিন নয়, সেই বার্তা দিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তিনি বলেছেন, সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে গঠিত কমিটিই ঠিক।

এই সপ্তাহের শুরুতে আদানি পোর্টস এবং স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড এবং গ্যাডোট গ্রুপের একটি কনসোর্টিয়ামের মালিকানাধীন হাইফা পোর্ট কোম্পানির নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসাবে প্রাক্তন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রন মালকারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
আর এদিন তিনি শরদ পাওয়ারের সমালোচনা করলেন আদানি ইস্যুতে বিরোধীদের আন্দোলনের সমালোচনা করায়। তিনি শরদ পাওয়ারের বিরোধিতা করে ঘুরিয়ে তাঁকে আদানির বন্ধু বলেও অভিহিত করেছেন। আর এই ধরনের প্রতিবেদন তৈরির জন্য ভারতীয় মিডিয়াকে একহাত নিয়েছেন।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তথা বিরোধীরা আদানি ইস্যুতে জেপিসি চেয়ে গলা ফাটিয়ে আসছেন প্রথম থেকে। এই মর্মে বিরোধীরা একজোট হয়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। কিন্তু হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আদানির শেয়ার ধস নিয়ে জেপিসি দাবিতে ভিন্ন মত পোষণ করেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।
শরদ পাওয়ার এই মর্মে রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস ও বিরোধীদের বিপরীত অবস্থান নেন। শুক্রবার তিনি একান্ত সাক্ষাৎকারে আদানির সমর্থনের কার্যত গলা ফাটান। তিনি হিন্ডেনবার্গের প্রতিবেদনের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, আদানি ইস্যুটিকে বিরোধীরা বেশি গুরুত্ব দিয়ে বসেছে আনুপাতিকভাবে।












Click it and Unblock the Notifications