Mahua Moitra: আদালতের কাজ নয়, বাড়ি খালি করার মামলায় দিল্লি হাইকোর্টে ধাক্কা মহুয়ার
আজ হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মহুয়া মৈত্র। দিল্লি হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল তাঁর আর্জি। সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কারের পর তাঁকে দিল্লির বাড়ি খালি করার নোটিস ধরানো হয়। ৭ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে দিল্লির বাড়ি খালি করতে বলা হয়েছিল।
সেই নোিটসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। বৃহস্পতিবার তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি হয় হাইকোর্টে। তাতে দিল্লি হাইকোর্ট তার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। এবং মহুয়া মৈত্রকে জানিয়েছে বাড়ি খালির নোটিসের উপর রায় দেওয়া আদালতের কাজ নয়। তার জন্য তাঁকে ডিরেক্টরেট অএব এস্টেটে আবেদন জানাতে হবে।

সেই সঙ্গে মহুয়া মৈত্রকে তাঁর আবেদন ফিরিয়ে নেওয়ার অনুমতিও দিয়েছে আদালত। নগরোন্নয়ন মন্ত্রের অধীনে রয়েছে ডিরেক্টরেট অব এস্টেট। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ বলেছেন, আদালত কেবল মাত্র সেখানে থাকার সময়সীমার উপর কথা বলতে পারে। কিন্তু বাড়ি খালি করা হবে কিনা তার উপর কোনও কথা বলা আদালতের কাজ নয়।
গত ১১ ডিসেম্বর মহুয়া মৈত্রকে দিল্লির সরকারি বাসস্থান খালি করার নোটিস ধরানো হয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মহুয়া মৈত্র আদালতে আর্জি জানিয়েছিলেন যে তঁকে ২০২৪-র লোকসভা ভোট পর্যন্ত যেন সেখানে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করার অভিযোগে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছে। সেকারণে সরকারি বাসস্থানে থাকার তাঁর কোনও অধিকার নেই। সেই কারণে ৭ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে দিল্লির সরকারি বাসভবন খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গতকাল সাংসদ পদ খারিজের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জািনয়ে সুপ্রিম কোর্টে করার মামলার শুনানি হয়েছে হাইকোর্টে। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলকে নোটিস পাঠিয়েছে এবং ১০ দিনের মধ্যে সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে মহুয়া মৈত্রকে সংসদে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য তৃণমূল কংগ্রেস সংসদের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি নাকি দুবাইয়ের ব্যবসায়ী হিরান্দানির কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়ে লোকসভায় মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করেছেন। এবং মহুয়া মৈত্র নাকি হিরান্দািনকে লোকসভার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পর্যন্ত জানিয়ে দিয়েছেন। হিরান্দািন নিজেই সেই অ্যাকাউন্ট দুবাই থেকে খুলতেন।
এমনই অভিযোগ এথিক্স কমিটিতে জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তদন্ত শুরু করে এথিক্স কমিটি। মহুয়া মৈত্রকে ডেকে জেরাও করা হয়। তার পরেই তাঁকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কারের প্রস্তাব গৃহীত হয়। লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়। এবং সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় মহুয়া মৈত্রকে। তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলের সাংসদরা।












Click it and Unblock the Notifications