Mahua Moitra: ৩০ দিনের মধ্যে ছাড়তে হবে বাড়ি, সংসদ থেকে বহিষ্কারের পর ফের নোটিস মহুয়াকে
টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে সংসদ থেকে। এবার তাঁকে সরকারি বাসভবন খালি করার নোটিস পাঠানো হল। সাংসদ হিসেবে যে সরকারি বাসভবন তিনি পেতেন সেটি ৩০ দিনের মধ্যে খালি করতে বলা হয়েছে মহুয়াকে।
এদিকে গতকালই এথিক্স কমিটির রিপোর্টে বিরুদ্ধে তাঁর বিরুদ্ধে করা পদক্ষেপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নেত্রী। সুপ্রিম কোর্টে তিনি এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তার পরের দিনই মহুয়াকে সরকারি বাসভবন খালি করার নির্দেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

লোকসভার সচিবালয় থেকে এই নোটিস মহুয়া মৈত্রকে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু তাঁর সাংসদ পদ এখন নেই তাই তিনি সাংসদদের জন্য বরাদ্দ বাংলোতে থাকার অধিকার তাঁর নেই। কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে প্রথম স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন যে টাকার বিনিময়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সংসদে প্রশ্ন করেন।
মোদী সরকারের সঙ্গে আদানিদের যোগ নিয়ে সংসদে মহুয়া মৈত্র যে প্রশ্ন করেছিলেন সেটা দুবাইয়ের ব্যবসায়ী হিরান্দািনর কাছে টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তদন্ত শুরু করে এথিক্স কমিটি। সেই কমিটিতে মহুয়া মৈত্রকেও জেরা করা হয়। তারপরেই এথিক্স কমিটি মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ খারিজের প্রস্তাব দেয়। লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে সেই প্রস্তাবে সিলমোহর দেন স্পিকার ওম বিড়লা।
যদিও এথিক্স কমিটির এই সিদ্ধান্ত পুরোটাই একপেশে বলে দাবি করেছে বিরোধীরা। কংগ্রেস থেকে শুরু করে বামেরা সকলেই এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এমনকী তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে মোদী সরকারের স্বৈরাচারিতা বলে অভিযোগ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications