এবার 'Mr A'-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা! বিবিসি বিতর্কের মধ্যেই কার কথা বললেন মহুয়া মৈত্র?
গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে বিবিসির তৈরি তথ্যচিত্র নিয়ে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মধ্যেই আজ দেশজুড়ে বিবিসির একাধিক দফতরে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর।
গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে বিবিসির তৈরি তথ্যচিত্র নিয়ে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মধ্যেই আজ দেশজুড়ে বিবিসির একাধিক দফতরে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। একেবারে অফিস আটকে কর্মীদের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে চলে এই তল্লাশি অভিযান। আর এই ঘটনা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
ইতিমধ্যে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ বলে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুধু তাই নয়, বিবিসির অফিসে আয়কত তল্লাশি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলেও কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে বিরোধীরা।

"মিস্টার এ"র বিরুদ্ধেও কি অভিযান চালানো হবে?
আর এই বিতর্কের মধ্যেই মুখ খুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সাংসদ মহুয়া মৈত্র এই বিষয়ে কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তৃণমূল সাংসদের দাবি, ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) অফিসে "অভিযান" করার পরে "মিস্টার এ"র বিরুদ্ধেও কি অভিযান চালানো হবে? তবে 'মিস্টার এ' বলে যে আদানি গোষ্ঠীর মালিক গৌতম আদানিকেই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ আক্রমণ করেছেন তা কার্যত স্পষ্ট।

সেবি এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ট্যাগ
বিবিসির দফতরে আয়কর হানার পরেই কেন্দ্রকে আক্রমণ করে একটু টুইট করেছেন কৃষ্ণনগরের এই সাংসদ। যেখানে সেবি এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ট্যাগ করেছেন তিনি। আর এরেপরে মহুয়া কড়া ভাষায় বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখছেন, যেহেতু এজেন্সিগুলি এই ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে একটি ' সমীক্ষা' করছে, সেহেতু সরকারের প্রিয় ব্যক্তি 'মিস্টার এ'-এর বিরুদ্ধেও কি অভিযান আয়কর বিভাগ এবং সেবি চালাবে? তা নিয়ে কেন্দ্রের কী বলার আছে? টুইটে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ।

বিশ্বের সবথেকে বড় দুর্নীতিগ্রস্থ সংস্থা বিবিসি।
বলে রাখা প্রয়োজন, বিবিসি'র অফিসে হানা নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ খুলেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর দাবি, এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ। এই বিষয়ে একজোট হওয়ার ডাক তাঁর। অন্যদিকে বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতে বিবিসির একাধিক দফতরে আয়করের দফতরের আধিকারিকরা সকাল থেকে তল্লাশি চালান। সূত্রের খবর মুম্বই এবং দিল্লিতে বিবিসির দফতরে তল্লাশি চলে। একাধিক অফিসে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি অভিযান চলে বলে জানা যাচ্ছে। আর এই দীর্ঘ তল্লাশি চলাকালীন দফতরে কোনও কর্মীকে বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। সবাইকেই একটি জায়গাতে বসিয়ে রাখা হয় বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি কর্মরত কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করা হয়। যোগাযোগ সম্পূর্ণ ভাবে ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দফতরের কম্পিউটারগুলি পরীক্ষা করে এদিন দেখেছেন আধিকারীকরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
তবে এই বিতর্কে বিজেপির মতে, বিশ্বের সবথেকে বড় দুর্নীতিগ্রস্থ সংস্থা বিবিসি।












Click it and Unblock the Notifications