মহারাষ্ট্র-কর্নাটক সীমান্ত সমস্যা! প্রভাব ফেলতে পারে বিজেপির বিধানসভা নির্বাচনের ফলে
মহারাষ্ট্র-কর্নাটক সীমান্ত সমস্যা! প্রভাব ফেলতে পারে বিজেপির বিধানসভা নির্বাচনের ফলে
আন্তর্জাতিক সীমান্ত সমস্যার কথা সবার জানা। কিন্তু রাজ্যে রাজ্যে সীমান্ত সমস্যা? দিন কয়েক আগে এই সীমান্ত সমস্যা নিয়ে রক্ত ঝড়েছে উত্তর-পূর্বে। সীমান্ত সমস্যা রয়েছে মহারাষ্ট্র আর কর্নাটকের মধ্যেও। সেই সমস্যা রয়েছে গত প্রায় ৬৬ বছর ধরে। উভর রাজ্যই রাজনৈতিক লাভের দিকে তাকিয়ে সমস্যা জিইয়ে রেখেছে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রভাব ফেলতে পারে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে
মহারাষ্ট্রের সঙ্গে সীমান্ক সমস্যা যে প্রভাব ফেলতে পারে তা আর লুকিয়ে রাখছেন না বিজেপি ও কংগ্রেসের নেতারা। ভোটের মেরুকরণে এই সীমান্ত সমস্যা প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন দুদলের নেতারাই।

প্রভাব বেশি পড়তে পারে বিজেপির ওপরে
বিজেপি কর্নাটকের বেলগাভি জেলায় কন্নড় এবং মারাঠী উভয় ভোটারদের কাছেই প্রিয়। উভয় রাজ্যেই রয়েছে বিজেপি কিংবা তাদের সমর্থনপুষ্ট সরকার। সেই কারণে বিজেপির ওপরে প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাই এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এব্যাপারে যথেষ্টই সতর্কতা অবলম্বন করছেন। তবে অন্য রাজনৈতিক দলগুলির কাছে সীমান্ত সমস্যার বিষয়টি রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

কর্নাটক বনাম মহারাষ্ট্র
কর্নাটকে বিজেপির সরকার আর মহারাষ্ট্রে বিজেপির সমর্থনে সরকার। ফলে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিজেপির অস্বস্তি সব থেকে বেশি। সেই কারণে বিজেপির ব্যাখ্যা হল বিষয়টি বিজেপি বনাম বিজেপি নয়, এটি কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রের মধ্যের সমস্যা। তবে বিষয়টি নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে দুই রাজ্য ইউনিটকে এক টেবিলে আনার চেষ্টা করা হবে।

প্রভাব ফেলতে পারে ছয় থেকে সাতটি আসনে
তবে কর্নাটক বিজেপির অভ্যন্তর সূত্রে খবর, সীমান্ত ইস্যু ছয় থেকে সাতটি আসনে প্রভাব ফেলতে পারে। শিবসেনার সমর্থনে মহারাষ্ট্র একীকর্ণ সমিতি গত কয়েক বছর ধরে কর্নাটকের অভ্যন্তরে প্রচার চালাচ্ছে। যার প্রভাব পড়তে দেখা গিয়েছিল বেলাগাভি লোকসভার উপনির্বাচনে। মহারাষ্ট্র একীকর্ণ সমিতি সমর্থিত নির্দলপ্রার্থী শুভম শেলকে সেই এলাকায় প্রায় দেড়লক্ষ মারাঠী ভোট পেয়েছিলেন। এই ভোটের বেশিরভাগটাই ছিল বিজেপির। যদিও বিজেপি ওই উপনির্বাচনে কোনও মতে ওই আসন জয় করে। এর প্রভাব যে সামনের বিধানসভা নির্বাচনে পড়বে, সেব্যাপারে নিশ্চিত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কংগ্রেস বেলাগাভির মানুষের আবেগকে পুঁজি করার চেষ্টা করবে। কেননা এই বেলাগাভিতে প্রচুর মারাঠী-ভাষীর বসবাস। তবে স্থানীয় এক কংগ্রেস বিধানয়ক অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষায় রাজি। তবে উদ্ধবপন্থী শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত বলে দিয়েছেন কোনও জায়গা ছাড়া হবে না কর্নাটককে। একই কথা বলেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশও। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় এই মন্তব্য উস্কানিমূলক।












Click it and Unblock the Notifications