মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের পর শিবসেনাকে পাল্টা বিশ্বাসঘাতক বলল বিজেপি
মহারাষ্ট্রে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে নাটকের পটপরিবর্তনের পর সারাদেশে রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে গিয়েছে। মাঝরাত পর্যন্ত যেখানে এটাই ঠিক ছিল যে শনিবার সকালে উঠে শিবসেনা, এনসিপি ও কংগ্রেস দলের জোটের খবর পাকা হতে চলেছে। এবং তারা সরকার গঠন করতে চলেছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে আচমকা ভোরবেলা তুলে নেওয়া হল রাষ্ট্রপতি শাসন। এবং অর্ধেক ভারত ঘুম থেকে ওঠার আগেই আচমকা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে ফেললেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তাঁকে সমর্থন করলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার।

এই ঘটনায় সরাসরি অজিত পাওয়ারকে বিশ্বাসঘাতক বলে তোপ দেখেছে অনেকেই। তবে শিবসেনা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে শরদ পাওয়ারের কোনও যোগ নেই। অজিত পাওয়ার নিজের দায়িত্বে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। শরদ পাওয়ার নিজে জানিয়েছেন, তিনি এ ঘটনার কিছুই জানতেন না। এবং এনসিপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের কোনও যোগ নেই। নিজের দায়িত্বে এই কাজ করেছে অজিত।
Chandrakant Patil, Maharashtra BJP President: Voters had voted for BJP-Shiv Sena alliance and we got 161 MLAs, but Shiv Sena betrayed the mandate. Since the first press conference they had started talking about alternatives. pic.twitter.com/Lus9Y24qC8
— ANI (@ANI) November 23, 2019
শিবসেনা যেখানে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলছে সেখানে বিজেপির পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, বিশ্বাসঘাতকতার কথা বলা শিবসেনার মুখে মানায় না। কারণ মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিবসেনা জোটকে ক্ষমতায় দেখতে চেয়ে মানুষ ভোট দিয়েছিল। আর সেই আশীর্বাদকে অপমান করে শিবসেনা জোট ভেঙে বেরিয়ে যায়। ফলে এখন কোনওভাবেই তাদের মুখে অন্যকে দোষারোপ করা সাজে না।
Chandrakant Patil, Maharashtra BJP President: Sanjay Raut should now at least keep silent. He has ruined Shiv Sena. pic.twitter.com/6G6W3q290B
— ANI (@ANI) November 23, 2019
ঘটনা হল, শিবসেনা ও বিজেপি জোট করে ভোটে লড়ে বিজেপি পায় ১০৫ টি আসন। শিবসেনা পেয়েছে ৫৬ টি আসন। অন্যদিকে, এনসিপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট লড়ে পায় যথাক্রমে ৫৪ ও ৪৪ টি আসন। তারপরেই শিবসেনা মুখ্যমন্ত্রীর দাবি জানিয়ে জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসে।
এনসিপি ও কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গড়ার পথে এগিয়ে গিয়েছিল শিবসেনা। তবে আচমকা সবাইকে চমকে দিয়ে বিজেপি ফের একবার মহারাষ্ট্রে সরকার করে ফেলল। এবং দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ।












Click it and Unblock the Notifications