Maharashtra Congress: ভোটকুশলী থেকে হাইকমান্ড, মহারাষ্ট্রে পরাজয়ে কংগ্রেসের দায় ঠেলাঠেলিতে বাদ গেলেন না কেউই
Maharashtra Assembly Election 2024 Result: হরিয়ানার পর মহারাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যও হাতছাড়া কংগ্রেসের (Congress)। পরাজয়ের কারণ পর্যালোচনায় নেমেই দোষারোপের খেলায় মেতেছে কংগ্রেস। সূত্রের খবর, দলের অন্দরে সুর চড়াচ্ছেন একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। দায় ঠেলা হচ্ছে ভোটকুশলীর উপরেও।
মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের ভোটকুশলীর দায়িত্বে ছিলেন সুনীল কানুগোলু (Sunil Kanugolu)। প্রশান্ত কিশোরের দল ছেড়ে আলাদা করে নিজস্ব সংস্থা খুলেছেন দক্ষিণী এই ভোটকুশলী। তেলঙ্গানায় তাঁর উপরই আস্থা রেখেছিল কংগ্রেসের হাইকমান্ড। জয়ের স্বাদও পেয়েছিল হাত শিবির। কিন্তু মহারাষ্ট্রে তা হয়নি। আর এরপর ভোটকুশলীকেই দুষছেন দলের নেতাকর্মীরা।

কর্ণাটক ও তেলঙ্গানায় কংগ্রেসের (Karnataka Telangana Congress) পক্ষে জনমত আসতেই শীর্ষ নেতৃত্বে জায়গা দেওয়া হয়েছিল সুনীলকে। তেলঙ্গানা উপহার দিতেই কংগ্রেস তাঁকে মন্ত্রিত্বে (Minister) বসায়। কিন্তু এখন তিনিই কংগ্রসের দুয়োরানি। কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন সুনীল।
মহারাষ্ট্রে ভোট কৌশল, প্রচার ও টিকিট বণ্টনের দায়িত্বে ছিলেন সুনীল। এমনকি ইশতেহার (Manifesto) তৈরিতেও মুখ্য ভূমিকা ছিল তাঁর। কিন্তু এখন তিনি প্রশ্নের মুখে। কেন সুনীল কানুগোলুর কাঁধে গুরুদায়িত্ব ছাড়া হল, সেই প্রশ্ন তুলছেন কংগ্রেস নেতারা।
এও অভিযোগ উঠছে, শেষে নাকি সুনীলের কোনও পরামর্শই নিতে চায়নি কংগ্রেস। একা ভোটকুশলীর পক্ষে গোটা বিধানসভা নির্বাচন জেতানো কার্যত অসম্ভব। কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা ও পরিশ্রমটুকুও দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও এনিয়ে সুনীলের দল কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
এতো গেল ভোটকুশলীকে দোষারোপের পালা। কংগ্রেসের একাংশের দাবি, লড়কি বেহেন যোজনা নিয়েও তেমন বিরোধিতা করেনি দল। মহারাষ্ট্রে মহালক্ষ্মী যোজনা আনার কথা বললেও তা নিয়ে মানুষের মনে তেমন প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস।
তবে সুনীল কানুগোলুকে একা দোষ দিতে নারাজ কংগ্রেসের একাংশও। তাদের দাবি, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সুনীলের মতামত শুনতেই চাননি। উল্টে মহারাষ্ট্র কংগ্রেসকে সবসময় দিল্লির নির্দেশ মেনে চলতে হয়েছে। স্থানীয় নেতাদের গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে দাবি একাংশের।
প্রশ্ন উঠেছে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব নিয়েও। এক্স হ্যান্ডেলে মহারাষ্ট্রেরই এক কংগ্রেস সমর্থকের দাবি, রাহুলের নেতৃত্ব মেনে নিলেও স্থানীয় নেতাদের উপর কর্তৃত্ব ফলানো ঠিক নয়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আদবকায়দায় রাজনৈতিক দল চলতে পারে না বলে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। এখন প্রশ্ন, ২০২৫ এর দিল্লি নির্বাচনে কি সুনীলকে রাখবে কংগ্রেস? নাকি দলের পরাজয়ের কারণ পর্যালোচনা করে আত্মনিরীক্ষণের পথে হাঁটবে হাত শিবির?












Click it and Unblock the Notifications