Maharashtra Assembly Election: মহারাষ্ট্রে চার হাজারের বেশি প্রার্থী, একাধিক হেভিওয়েট মুখ লড়াইয়ের ময়দানে
আগামী কাল বুধবার মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচন। এক দফাতেই ভোট হচ্ছে ২৮৮ টি আসনে। এবার ভোট লড়ছেন চার হাজারের বেশি প্রার্থী। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নির্দল প্রার্থীদের সংখ্যা। এবার দুই হাজারের বেশি নির্দল প্রার্থী রয়েছে। এই সংখ্যা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ।
এবারের মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সদ্য হওয়া লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে শাসক শিবির। মহাজুটি জোটের কাছে এবারের ভোট তাই বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বিরোধী মহা বিকাশ আঘাদি জোট লোকসভা ভোটে লক্ষ্যনীয় ভালো ফল করেছে। তারা এবার মাটি আঁকড়ে প্রচারও করেছে।

৪,১৩৬ জন প্রার্থী এবার ভোটের ময়দানে। মহারাষ্ট্রে এবারে ভোটার সংখ্যা ৯.৭ কোটিরও বেশি। মহাজুটি জোটে বিজেপি অন্যতম বড় শক্তি। বিজেপি ১৪৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা ৮১ টি আসনে লড়াই করছে। অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ৫৯ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
বিরোধী এমভিএ শিবিরের বড় শরিক কংগ্রেস। ১০১ টি আসনে লড়াই করছে তারা। উদ্ধব ঠাকরের দল শিবসেনা (ইউবিটি) ৯৫ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। শরদ পাওয়ারের এনসিপি ৮৬ টি আসনে লড়ছে। এছাড়া বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) ২৩৭ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এআইএমআইএম - এর ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মহারাষ্ট্র নির্বাচনে এবার বেশ কয়েকটি আসনে গুরুত্বপূর্ণ মুখের লড়াই হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে থানে কোপরি -পাচপাখাদি আসনে এবারও প্রার্থী হয়েছেন। আনন্দ দীঘের ভাইপো কেদার দীঘে শিবসেনা (ইউবিটি)র প্রার্থী ওই কেন্দ্রে। ফলে এই কেন্দ্র নিয়ে আলাদা নজর আছে। টানা তিন বার ওই কেন্দ্রে শিন্ডে জিতে এসেছেন। এবারও তিনি আসন ধরে রাখতে মরিয়া।
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ নাগপুর দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে লড়ছেন। এটি বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস প্রার্থী প্রফুল গুদাধে-পাতিল। বিজেপি জোট মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় ফিরলে দেবেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। সেই চর্চা হচ্ছে।
এনসিপি প্রার্থী অজিত পাওয়ার বারামতি থেকে লড়াই করছেন। তিনিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ। এনসিপি ভাগ হওয়ার পর তিনি কতটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন? তাই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
মুম্বাইয়ের ওয়ারলিতে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা আদিত্য ঠাকরে প্রার্থী হয়েছেন। শিবসেনার রাজ্যসভার সাংসদ মিলিন্দ দেওরা এখানে প্রার্থী। এছাড়াও রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস)র প্রার্থী সন্দীপ দেশপান্ডে। এই কেন্দ্রে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।
এনসিপির জিশান সিদ্দিকি উদ্ধব ঠাকরের ভাইপো বরুণ সারদেসাই-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। মুম্বইয়ের বান্দ্রে পূর্ব কেন্দ্রে লড়াই হচ্ছে। প্রয়াত এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকির ছেলে সিদ্দিকি ২০১৯ সালে কংগ্রেসের টিকিটে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন।
ইয়েওলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রবীণ এনসিপি মন্ত্রী ছগান ভুজবল লড়াই করছেন। এনসিপি (এসপি) এর মানিকরাও শিন্ডে এখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী নবাব মালিক মানখুর্দ শিবাজি নগর কেন্দ্র থেকে এনসিপি প্রার্থী। এমভিএ জোটের বন্ধু সমাজবাদী পার্টির (এসপি) আবু আসিম আজমি মালিক এখানে প্রার্থী।
মহারাষ্ট্র বিজেপির সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বিদর্ভ অঞ্চলের কাম্পটি থেকে লড়ছেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জিতেছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি হেরে যান। এবারও দল তাঁকে টিকিট দিয়েছে। মুম্বইয়ের
বিজেপির সভাপতি আশিস শেলার বান্দ্রা পশ্চিম থেকে লড়াই করছেন। কংগ্রেসের আসিফ জাকারিয়া তাঁর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী।












Click it and Unblock the Notifications