মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪ : ভোটের দিন ঘোষণার ঠিক আগে ২৪৪টি রেজোলিউশনের ঘোষণা শিন্ডে সরকারের
একদিকে নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক বৈঠক। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের সংকল্প তালিকা। বুধবার সেই বিষয়ই চর্চায় থাকল। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই লম্বা সংকল্প তালিকা প্রকাশ করল মহারাষ্ট্র সরকার। আগামী দিনের জন্য ২৪৪ টি কর্মকাণ্ডের তালিকা রাখল একনাথ শিন্ডের সরকার।
বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে৷ নির্বাচন কমিশন মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে৷ তার আগেই বড় বার্তা দিল মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সরকার। আগামী দিনে মহারাষ্ট্র ও রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য আগাম উন্নয়ন বার্তা দেওয়া হল৷

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে তখন আর সরকারি কোনও বার্তা দেওয়া যায় না। নির্বাচনী আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। ফলে শেষ সময়ে প্রবল ব্যস্ততা ছিল একনাথ শিন্ডে সরকারের। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই একই দিনে রেজোলিউশনের লম্বা তালিকা প্রকাশ করা হল।
একনাথ শিন্ডে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশদের উপর বিরোধী শক্তির চাপ যথেষ্ট বেশি৷ ক্ষমতা ধরে রাখতে একাধিক উন্নয়নের বার্তা দেওয়া হল। বৃহত্তর প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় স্তরেও উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে যথেষ্ট সমীকরণ করছে সরকারপক্ষ৷ সেই কথাই জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ করা হয়৷ তার আগে মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার আগামী দিনে উন্নয়নের বার্তা সরকারি ওয়েবসাইডে আপলোড করে। শুরুতে মোট ১১৭ টি রেজোলিউশনের বার্তা দেওয়া হয়। পরে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়৷ গভীর সন্ধ্যা নাগাদ, সেই সংখ্যা বেড়ে ২৪৪ - এ পৌঁছেছিল।
অনুমোদনগুলিতে সরকারি-চালিত মেডিক্যাল কলেজ এবং ইনস্টিটিউটের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। ভারী বর্ষা, বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম ও শহরগুলির জন্য আর্থিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ মহারাষ্ট্রে ৯৫ টি তীর্থযাত্রী কেন্দ্র এবং ভারতের ১৫ টি কেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী তীর্থ দর্শন যোজনায় যুক্ত করা হয়েছে।
মহারাষ্ট্রে হিন্দু ভোটের উপর আস্থা রেখেছে শাসক গোষ্ঠী। এছাড়াও দলিত সম্প্রদায়ের ভোটও প্রয়োজন। তাদের উন্নতির জন্য আগামী দিনের কাজকর্মের বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভোটের আগে আরও সরকার ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা করেছে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
রাজ্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বোর্ড এবং বিশ্বকোষ নির্মাণ মহামণ্ডলের পুনর্গঠনের ভাবনাও নিয়েছে। গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে এগুলি অন্যতম। বোর্ডগুলির প্রধান হবেন যথাক্রমে ডঃ সদানন্দ মোরে এবং অধ্যাপক রবীন্দ্র শোভন।












Click it and Unblock the Notifications