Maharashtra Assembly Election 2024: নিজের গড়েই কঠিন চ্যালেঞ্জ, কৃষিপ্রধান উত্তর মহারাষ্ট্রের ফসল তুলবে BJP?
Maharashtra Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্রে দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। একদা হাতের তালুতে থাকা আসনগুলিতেই এবার জোরদার লড়াই করতে হচ্ছে বিজেপিকে (BJP)। জাতিবৈষম্য থেকে কৃষক অসন্তোষ,হারানো মাটি পুনরুদ্ধারে নেমে দ্বৈত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি শাসক শিবির।
উত্তর মহারাষ্ট্র (North Maharashtra) প্রধানত কৃষিপ্রধান এলাকা। ধুলে, নান্দুরবাড়, জলগাঁও, নাসিক ও অহল্যানগর (পূর্বতন মালেগাঁও) এই পাঁচটি জেলায় প্রায় ৪৭টি বিধানসভা আসন রয়েছে। বহু বছর ধরে বিজেপির গড় হিসেবে পরিচিত এই এলাকা। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের দাবি, নিজের গড়েই এবার জয়ের জন্য কঠিন লড়াই লড়তে হবে গেরুয়া শিবিরকে।

২০১৯ সালে গত বিধানসভা নির্বাচনে (2019 maharashtra assembly election) ওই এলাকার ১৬টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। অবিভক্ত এনসিপি জয়ী হয়েছিল ১৩টি আসনে, ৭টি আসনে কংগ্রেস, ৬টি আসনে শিবসেনা জিতেছিল। এছাড়াও ২টি করে আসন পেয়েছিল আসাদউদ্দিনের মিম ও নির্দলরা। যদিও তারপরে আরব সাগরের পাড়ের রাজনীতিতে এসেছে বড়সড় বদল।
২০২২ সালের জুনে শিবসেনা ও ২০২৩-এর জুলাইয়ে এনসিপি দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। বিজেপির সঙ্গে একনাথ শিন্ডের শিবসেনা ও অজিত পাওয়ারের এনসিপি রয়েছে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোট সরকারে। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলই বলে দিচ্ছে, উত্তর মহারাষ্ট্র এলাকার কৃষক পরিবারেরা (Farmers) বিজেপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়েছে।
উত্তর মহারাষ্ট্রের ১২টি লোকসভা আসন থেকে ৪টিতেই হেরে যায় বিজেপি। ধুলে, দিনদরি, নান্দুরবাড় ও অহল্যানগরে জয়ী হয় বিরোধী জোট। মূলত কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংরক্ষণ নিয়ে মারাঠা এবং ওবিসিদের মধ্যে মেরুকরণের রাজনীতিই এখন চর্চায়।
জলগাঁওতে শরদ পাওয়ারের এনসিপির নেতা তথা বিজেপির প্রাক্তন হেভিওয়েট একনাথ খড়সের দাবি, 'বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে এখানের মানুষের মনে ক্ষোভ জন্মেছে কিন্তু বিজেপির সংগঠন মজবুত হওয়ায় এখনও কিছু আসনে জয় রাখতে পেরেছে।'
উত্তর মহারাষ্ট্র দখলে মরিয়া হয়ে ঝাঁপাচ্ছে কংগ্রেসও। মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও জাতপাতের রাজনীতিকেই হাতিয়ার করছে হাত শিবির। কিন্তু বেশকিছু প্রভাবশালীর দলবদলের জেরে কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে কংগ্রেস। কাশীরাম পওয়ারা, অমরিশ পাটেলের মতো নেতারা কংগ্রেস ছেড়ে গিয়েছেন বিজেপিতে।
পেঁয়াজের সঠিক সরবরাহ মূল্যের অভাব, ভর্তুকির ২৫ কোটি টাকা বকেয়া থাকায় ক্ষোভে ফুঁসছেন কৃষকরা। শস্যবিমা, দুধের ভর্তুকি, হেক্টর প্রতি ফসলের ক্ষতিতে পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও সয়াবিনের দাম ন্যুনতম জোগান দামেরও নিচে থাকায় সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ জন্মেছে কৃষকদের মনে। এছাড়াও পেঁয়াজ রপ্তানির উপর পুরোদমে শুল্কছাড়ের দাবিও তুলছেন কৃষকরা।
এমতাবস্থায় উত্তর মহারাষ্ট্রে বিজেপি গড় ধরে রাখতে পারবে কিনা তাই এখন প্রশ্নের মুখে। ২০ নভেম্বর এক দফাতেই মহারাষ্ট্রে হতে চলেছে ভোট। ২৮৮ আসনের বিধানসভায় লড়ছে মহাজুটি বনাম মহা বিকাশ অঘাড়ির জোট। মহারাষ্ট্রে ভোটগণনা হবে ২৩ নভেম্বর।












Click it and Unblock the Notifications