Maharashtra Assembly Election 2024: বিজেপির কাঁটা নির্দল প্রার্থীরা, ফায়দা তুলতে পারে বিরোধীরা!
মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে ক্রমশ উত্তাপ বাড়ছে৷ এদিকে বিজেপির উপর চাপও বাড়ছে। কারণ, মতের মিল না হওয়ায় বিজেপির আদি নেতা - কর্মীরা সরে গিয়েছেন অনেকে। এবার তাদের মধ্যে অনেকেই নির্দল হিসেবে প্রার্থী হচ্ছেন।
মহারাষ্ট্র নির্বাচনের আগে বিজেপির অন্দরে এখন জোর দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। এবার বেশ কিছু সিনিয়র নেতাকে সাইড লাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ অনেকে মনে করেছিলেন, এবার তারা ভোটে টিকিট পাবেন। কিন্তু তাদের টিকিট দেওয়া হয়নি। সেই সব আদি বিজেপির নেতারা এবার নির্দল হিসেবে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এই ঘটনা বিজেপি - শিন্ডে মহাদ্যুতি জোটের উপর প্রভাব ফেলছে। এমনই মত রাজনৈতিক মহলের একটা অংশের। বিশেষ করে বোরিভালি, মুম্বাদেবী এবং আকোলা পশ্চিমের মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় এই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। জনমানসে পরিচিত বিজেপি নেতারা বেঁকে বসেছেন। তারা নির্দল হিসেবে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন।
গোপাল শেঠি, মুম্বইয়ের একজন পরিচিত বিজেপি নেতা। তিনি বোরিভালি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন। এমন আন্দাজ করা হয়েছিল। কিন্তু দল সঞ্জয় উপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে। তাই গোপাল শেঠি নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো মনস্থ করেছেন। বিজেপির অন্যান্য নেতারা তার সঙ্গে কথা বলছেন। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটুট রয়েছেন।
মুম্বাদেবী কেন্দ্রেও জটিলতা আছে। শাইনা এনসি, দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা। অপ্রত্যাশিতভাবে শিবসেনার শিন্দে গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। শাইনা মূলত ওয়ারলি নির্বাচনী এলাকা থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দল তাকে মুম্বাদেবীর দায়িত্ব দেয়।
কয়েক ঘন্টার মধ্যে, শাইনা শিবসেনা শিন্দের দলে যোগদান করেন। সেই দলের হয়ে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তিনি এখন কংগ্রেসের আমিন প্যাটেলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই আসন নিয়েও বিজেপি চাপে আছে। বান্দ্রা পূর্ব নির্বাচনী কেন্দ্রেও মহাদ্যুতি জোট সমস্যায়। কারণ, সেখানেও নির্দল প্রার্থী দাঁড়াচ্ছেন। কুণাল সরমালকার নির্দল প্রার্থী হচ্ছেন।
আকোলা পশ্চিমে, বিজেপি সমস্যায়। প্রবীণ নেতা এবং প্রাক্তন পুরসভার চেয়ারম্যান হরিশ আলিমচান্দানিও নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ার কথা জানিয়েছেন। একাধিক এই সব ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে বিজেপির অন্দরে। জোটের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে।
বিরোধী জোট এর ফলে সুবিধা পাবে। ভালো ফল করতে পারে বিরোধীরা। সেই কথা বলা হচ্ছে। বিজেপি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিক্ষুব্ধদের বোঝানোর কাজ চলছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications